চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় মধু মিয়া (৬২) নামে এক ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার কার্পাসডাঙ্গার মুচির বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মধু মিয়া উপজেলার আরামডাঙা গ্রামের মৃত সিরাজ মন্ডলের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে মধু মিয়া প্রতিদিনের মতো কার্পাসডাঙার মুচির বটতলা এলাকায় ফল বিক্রি করছিলেন। এ সময় কয়েকজনের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।
মারামারির সময় হামলাকারীরা কদবেল ছিদ্র করার কাজে ব্যবহৃত একটি ধারালো লোহার শিক মধু মিয়ার বুকে ঢুকিয়ে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, রাত ৯টার দিকে মধু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।
নিহত মধু মিয়া উপজেলার আরামডাঙা গ্রামের মৃত সিরাজ মন্ডলের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে মধু মিয়া প্রতিদিনের মতো কার্পাসডাঙার মুচির বটতলা এলাকায় ফল বিক্রি করছিলেন। এ সময় কয়েকজনের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।
মারামারির সময় হামলাকারীরা কদবেল ছিদ্র করার কাজে ব্যবহৃত একটি ধারালো লোহার শিক মধু মিয়ার বুকে ঢুকিয়ে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, রাত ৯টার দিকে মধু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।