জার্মানিতে সাড়ে ৬ লাখ দক্ষ কর্মীর সুযোগ, আগ্রহীদের জন্য ‘অপরচুনিটি কার্ড’

আপলোড সময় : ২৮-০৯-২০২৬ ০৭:০৯:২৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৮-০৯-২০২৬ ০৭:০৯:২৯ অপরাহ্ন
অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ইউরোপের অন্যতম দেশ জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ দক্ষ কর্মীর পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিবাসন ও শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ওয়াই-অ্যাক্সিসের পরিচালক ক্লিন্ট খান।

দুবাইয়ের দুসিত থানি হোটেলে আয়োজিত ‘গালফ নিউজ লেভেলআপ’ সম্মেলনের এক ফায়ারসাইড চ্যাটে অংশ নিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

ক্লিন্ট খান বলেন, বর্তমানে পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) প্রায় ৩০ লাখ দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ বা সাড়ে ৬ লাখ পদ জার্মানিতে খালি রয়েছে। এতে দেশটিতে আন্তর্জাতিক দক্ষ কর্মীদের চাহিদার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

চাকরি খোঁজার সুযোগ ‘অপরচুনিটি কার্ডে’

জার্মানিতে চাকরির সন্ধানে যাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো ‘অপরচুনিটি কার্ড’ বা ‘চান্সেনকার্টে’। এটি চাকরি খোঁজার জন্য দেওয়া একটি বিশেষ আবাসিক অনুমতিপত্র।

ইইউ-বহির্ভূত দেশের নাগরিকেরা নিজ দেশ থেকে কোনো চাকরির আগাম চুক্তি বা অফার লেটার ছাড়াই এই কার্ডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১২ মাস জার্মানিতে অবস্থান করে চাকরি খুঁজতে পারেন।

ক্লিন্ট খানের ভাষ্য অনুযায়ী, অপরচুনিটি কার্ড নিয়ে জার্মানিতে যাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে খণ্ডকালীন কাজ করার সুযোগ থাকে। পরবর্তীতে পূর্ণকালীন চাকরি নিশ্চিত হলে এবং নিয়োগকর্তা স্পনসর করতে রাজি থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারেন।

পয়েন্টভিত্তিক ব্যবস্থায় শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত অভিজ্ঞতা, বয়স ও ভাষাগত দক্ষতার মতো বিষয় বিবেচনা করে অপরচুনিটি কার্ড দেওয়া হয়।

উচ্চশিক্ষিতদের জন্য ব্লু কার্ড

উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য জার্মানিতে রয়েছে ‘ইইউ ব্লু কার্ড’। নির্দিষ্ট যোগ্যতা, স্বীকৃত শিক্ষাগত বা পেশাগত দক্ষতা এবং নির্ধারিত বেতনের চাকরির প্রস্তাব থাকলে এই কার্ডের জন্য আবেদন করা যায়।

ব্লু কার্ডধারীরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে ২৭ মাস পর স্থায়ী বসবাসের (পিআর) জন্য আবেদন করার সুযোগ পান। জার্মান ভাষায় বি১ স্তরের দক্ষতা থাকলে এই সময় কমে ২১ মাস হতে পারে।

বিদেশে যাওয়ার আগে লক্ষ্য নির্ধারণের পরামর্শ

বিদেশে যাওয়ার আগে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ক্লিন্ট খান। তাঁর মতে, শুধু বিদেশ যাওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো দেশে পড়াশোনা শুরু না করে আগে ঠিক করতে হবে—লক্ষ্য কেবল উচ্চশিক্ষা নেওয়া, নাকি ভবিষ্যতে ওই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করা।

তিনি বলেন, কারও মূল লক্ষ্য যদি স্থায়ী বসবাস হয়, তাহলে নির্বাচিত কোর্স শেষ করার পর সংশ্লিষ্ট দেশে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ ও আইনি পথ রয়েছে কি না, তা শুরুতেই যাচাই করা উচিত।

ক্লিন্ট খান আরও বলেন, শুধু জার্মানি নয়, দক্ষ অভিবাসন ও উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়তে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাতেও বিভিন্ন সুযোগ রয়েছে। তবে বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের বাজেট, যোগ্যতা ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : rajshahirsomoy@gmail.com,                    md.masudrana2008@gmail.com