রাতের আধারে কৃষকের ‘সর্বনাশ’ করলেন কৃষক লীগ নেতা

আপলোড সময় : ২৬-০৯-২০২৬ ০৬:২৮:৩৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৬-০৯-২০২৬ ০৬:২৮:৩৪ অপরাহ্ন
শেরপুরের শ্রীবরদীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রায় ৩০ শতাংশ জমির ফলসহ কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় উপজেলার রাণীশিমুল ইউনিয়নের পশ্চিম বিলভরট এলাকার মো. সোলায়মান মোল্লাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আরাফ আল বেহেস্তী হক ওরফে রিংকু।

অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন, মেহেদী হাসান প্রিন্স, ঝাবরু, কালু মিয়া, মুসলিম, শুটকু মিয়া ও খোকা মিয়া।

অভিযোগ আমলে নিয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে প্রধান আসামি সোলায়মান মোল্লার ছেলে মেহেদী হাসান প্রিন্স ও খোকা মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসী ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ১টার দিকে রিংকুর কলাবাগানে থাকা প্রায় ৪০০ কলাগাছ কেটে ফেলা হয়। এর মধ্যে অধিকাংশই ছিল ফলবান। ওই কলাবাগানে সাথী ফসল হিসেবে লাগানো বেগুন, মরিচ, লাউ, পুঁইশাকসহ বিভিন্ন গাছের চারাও নষ্ট করা হয়। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। গাছ কাটার খবর পেয়ে তিনি (রিংকু) ও তার স্ত্রী ঘটনাস্থলে গেলে তাদের বাধা দেওয়া এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান।
‎
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সোলায়মান মোল্লা অতীতে ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি থাকার সময় রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেছেন। তার বিরুদ্ধে জমি দখল, বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে চাপ সৃষ্টি, মিথ্যা মামলা দেওয়ার ভয় দেখানো, এলাকায় মাদক ব্যাবসা ও চুরি-ডাকাতির নেতৃত্ব প্রদান এবং লোকজন জড়ো করে প্রতিপক্ষকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।

পশ্চিম বিলভরট এলাকার খোরশেদ আলম বলেন, সোলায়মান মোল্লাকে কেন্দ্র করে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ রয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রভাব বিস্তার ও চাপ প্রয়োগের অভিযোগও শোনা যায়। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানান তিনি।

স্থানীয় দুলদুল আহমেদ জানান, জমি নিয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মামলা দেওয়ার ভয় দেখায় কৃষকলীগ নেতা সোলায়মান মোল্লা। অতীতে তার নানার জমি দখলেরও অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান দুলদুল।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সোলায়মান মোল্লা জানান, জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও কলাগাছ কাটার ঘটনায় তিনি জড়িত নন।

এ বিষয়ে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, এ বিষয়ে একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]