রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কেশরহাট পৌর এলাকায় নিয়মবহির্ভূত ও কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই আবারও শুরু হয়েছে অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের মহোৎসব। পৌরসভার ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ও সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্রভাবশালী মহল ও কিছু অসাধু ব্যক্তি একের পর এক গড়ে তুলছেন এসব অবৈধ স্থাপনা। এতে একদিকে যেমন অপরিকল্পিত নগরায়ণের কবলে পড়ছে কেশরহাট পৌর শহর, অন্যদিকে বাড়ছে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগের ঝুঁকি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেশরহাট পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও অলিগলিতে ইমারত নির্মাণ আইন ও বিল্ডিং কোডের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো ভবন তুলে চলেছেন অনেকে। পৌর কর্তৃপক্ষ থেকে নকশার কোনো অনুমোদন না নিয়েই বা আংশিক অনুমোদনের নামে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ রয়েছে যে, নামমাত্র অনুমতি বা কোনো কাগজপত্র ছাড়াই প্রভাবশালীরা রাতের আঁধারে দ্রুত ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেছেন।
একাধিক এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, অতীতেও কেশরহাটে সরকারি ও অন্যের জমি দখল করে কিংবা নকশা বহির্ভূতভাবে ভবন ও মার্কেট নির্মাণের নানা নজির রয়েছে। বর্তমানেও সেই একই চক্র পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পৌরসভার তদারকি না থাকায় এবং মাঝেমধ্যে দায়সারা গোছের নোটিশ বা লোক দেখানো পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন এসব অবৈধ ভবন নির্মাণকারীরা। নিয়মের তোয়াক্কা না করায় এসব ভবনের আশপাশে আলো-বাতাস চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে ভূমিকম্প বা অগ্নিকাণ্ডের মতো কোনো মারাত্মক প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট দুর্যোগের সময় ফায়ার সার্ভিস বা উদ্ধারকারী দলের গাড়ি প্রবেশের মতো পর্যাপ্ত প্রশস্ত রাস্তাও থাকছে না। সরেজমিন তদন্ত করা হলেই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে।স্থানীয়রা সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক সমাজ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এখনই যদি এই অপরিকল্পিত ও অবৈধ নির্মাণকাজ কঠোরহস্তে দমন করা না হয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে কেশরহাট পৌর শহর একটি জনজট ও ঝুঁকিপূর্ণ কংক্রিটের জঞ্জালে পরিণত হবে। সাধারণ মানুষের চলাচলের রাস্তা দখল কিংবা নিয়ম ভেঙে ভবন নির্মাণের কারণে এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে।
এ ব্যাপারে কেশরহাট পৌর কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তারা জানান, অবৈধভাবে ভবন নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে সুনিদ্রিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেশরহাট পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও অলিগলিতে ইমারত নির্মাণ আইন ও বিল্ডিং কোডের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো ভবন তুলে চলেছেন অনেকে। পৌর কর্তৃপক্ষ থেকে নকশার কোনো অনুমোদন না নিয়েই বা আংশিক অনুমোদনের নামে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ রয়েছে যে, নামমাত্র অনুমতি বা কোনো কাগজপত্র ছাড়াই প্রভাবশালীরা রাতের আঁধারে দ্রুত ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেছেন।
একাধিক এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, অতীতেও কেশরহাটে সরকারি ও অন্যের জমি দখল করে কিংবা নকশা বহির্ভূতভাবে ভবন ও মার্কেট নির্মাণের নানা নজির রয়েছে। বর্তমানেও সেই একই চক্র পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পৌরসভার তদারকি না থাকায় এবং মাঝেমধ্যে দায়সারা গোছের নোটিশ বা লোক দেখানো পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন এসব অবৈধ ভবন নির্মাণকারীরা। নিয়মের তোয়াক্কা না করায় এসব ভবনের আশপাশে আলো-বাতাস চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে ভূমিকম্প বা অগ্নিকাণ্ডের মতো কোনো মারাত্মক প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট দুর্যোগের সময় ফায়ার সার্ভিস বা উদ্ধারকারী দলের গাড়ি প্রবেশের মতো পর্যাপ্ত প্রশস্ত রাস্তাও থাকছে না। সরেজমিন তদন্ত করা হলেই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে।স্থানীয়রা সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক সমাজ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এখনই যদি এই অপরিকল্পিত ও অবৈধ নির্মাণকাজ কঠোরহস্তে দমন করা না হয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে কেশরহাট পৌর শহর একটি জনজট ও ঝুঁকিপূর্ণ কংক্রিটের জঞ্জালে পরিণত হবে। সাধারণ মানুষের চলাচলের রাস্তা দখল কিংবা নিয়ম ভেঙে ভবন নির্মাণের কারণে এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে।
এ ব্যাপারে কেশরহাট পৌর কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তারা জানান, অবৈধভাবে ভবন নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে সুনিদ্রিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।