নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়নের উথরাইল বিলে কৃষক ও শ্রমিকদের বিশ্রাম এবং দুর্যোগের সময় নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সেড নির্মাণ করা হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় নির্মিত এ সেডকে ঘিরে স্বস্তি ফিরেছে বিলের কৃষক-শ্রমিকদের মধ্যে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপুর দিকনির্দেশনায় সেডটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উথরাইল বিলের চারপাশে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। বোরো মৌসুমে এ বিলে বিপুল পরিমাণ ধান উৎপাদন হয়। ধান কাটা ও মাড়াইয়ের সময় প্রতিদিন প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০ কৃষক ও শ্রমিক মাঠে কাজ করেন। তবে এতদিন বিশ্রাম নেওয়া কিংবা ঝড়-বৃষ্টির সময় আশ্রয়ের তেমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না।
বিলউথরাইল গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, ধান কাটা-মাড়াইয়ের সময় শত শত শ্রমিককে মাঠে থাকতে হয়। বিলে গাছপালা বা আশ্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় কালবৈশাখী, বৃষ্টি কিংবা বজ্রপাতের সময় বিপাকে পড়তে হতো। নিরাপদ জায়গায় যেতে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে যেতে হতো।
পাকুড়িয়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিলের জুলংগী এলাকায় স্থানীয়ভাবে বটগাছ ও তালগাছ লাগানো হয়েছে। এর পাশাপাশি সেড নির্মাণ হওয়ায় দুর্যোগের সময় কৃষক-শ্রমিকদের আশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তবে কয়েকজন কৃষক জানান, বোরো মৌসুমে ওই এলাকায় প্রায় ৫০০ মানুষের সমাগম হয়। সেডটির আকার তুলনামূলক ছোট হওয়ায় বড় পরিসরে একটি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলাম বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের টিআর প্রকল্পের বরাদ্দে সেডটি নির্মাণ করা হয়েছে। কৃষকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য বিলেও এ ধরনের সেড নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
উথরাইল বিলের চারপাশে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। বোরো মৌসুমে এ বিলে বিপুল পরিমাণ ধান উৎপাদন হয়। ধান কাটা ও মাড়াইয়ের সময় প্রতিদিন প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০ কৃষক ও শ্রমিক মাঠে কাজ করেন। তবে এতদিন বিশ্রাম নেওয়া কিংবা ঝড়-বৃষ্টির সময় আশ্রয়ের তেমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না।
বিলউথরাইল গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, ধান কাটা-মাড়াইয়ের সময় শত শত শ্রমিককে মাঠে থাকতে হয়। বিলে গাছপালা বা আশ্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় কালবৈশাখী, বৃষ্টি কিংবা বজ্রপাতের সময় বিপাকে পড়তে হতো। নিরাপদ জায়গায় যেতে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে যেতে হতো।
পাকুড়িয়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিলের জুলংগী এলাকায় স্থানীয়ভাবে বটগাছ ও তালগাছ লাগানো হয়েছে। এর পাশাপাশি সেড নির্মাণ হওয়ায় দুর্যোগের সময় কৃষক-শ্রমিকদের আশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তবে কয়েকজন কৃষক জানান, বোরো মৌসুমে ওই এলাকায় প্রায় ৫০০ মানুষের সমাগম হয়। সেডটির আকার তুলনামূলক ছোট হওয়ায় বড় পরিসরে একটি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলাম বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের টিআর প্রকল্পের বরাদ্দে সেডটি নির্মাণ করা হয়েছে। কৃষকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য বিলেও এ ধরনের সেড নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।