রাসেলের স্ত্রীর স্বীকৃতি চান অন্তঃসত্ত্বা অনামিকা

আপলোড সময় : ২২-০৯-২০২৬ ০৬:৫৮:৪০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২২-০৯-২০২৬ ০৬:৫৮:৪০ অপরাহ্ন
প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে হলেও স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি না পাওয়ার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আর্নি আক্তার অনামিকা নামে এক নারী।

তার অভিযোগ, বিয়ের পর ব্যবসার কথা বলে স্বামী তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিলেও পরে বিয়ে নিবন্ধনে টালবাহানা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তার গর্ভে যমজ সন্তান রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

স্বামীর স্বীকৃতি, অনাগত সন্তানের অধিকার ও নিরাপত্তার দাবিতে গত তিন দিন ধরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে অবস্থান করছেন আর্নি আক্তার অনামিকা।

তার দাবি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে প্রতিকার না পেয়ে গত ২৫ আগস্ট আদালতে স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়িসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

অনামিকা বরিশাল নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাওলানা ভাসানি সড়কের বাসিন্দা। তার বাবার নাম রফিক মির্জা। অভিযুক্ত রাসেল মিয়া (২৬) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হ‌লোখানা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোস্তফা মিয়ার ছেলে।

অনামিকার অভিযোগ, ঢাকায় রাসেলের সঙ্গে পরিচয়ের পর প্রায় দুই মাস কথাবার্তা হয়। একপর্যায়ে রাসেল তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। পরে একজন হুজুরের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়।

তি‌নি জানান, বিয়ের পর রাসেল ব্যবসার কাজে প্রায় আট মাস মিশরে ছিলেন। দেশে ফিরে ঢাকায় কিছুদিন তার সঙ্গে থাকার পর গ্রামের বাড়িতে যান। পরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তাকে কুড়িগ্রামে নিয়ে আসেন। প্রথমে ফুলবাড়ীর ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের খোঁচাবাড়ি এলাকায় রাসেলের মামার বাড়িতে ১০ দিন রাখার পর তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান।

অনামিকা জানান, সেখানে চার মাস থাকার পর ব্যবসায় লোকসানের কথা বলে রাসেল পাঁচ লাখ টাকা চান। বিয়ে নিবন্ধনের আশ্বাসে বাবার জমি ও নিজের গহনা বিক্রি করে ওই টাকা দেন তিনি। পরে নিবন্ধনের জন্য চাপ দিলে রাসেল ও তার পরিবারের সদস্যরা টালবাহানা শুরু করেন।

অনামিকার দাবি, তিনি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং তার গর্ভে যমজ সন্তান রয়েছে। বিষয়টি স্বামী ও তার পরিবারকে জানালে তারা তা মেনে নেননি। উল্টো তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাসেল মিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষ‌য়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুড়িগ্রাম সদর থানার উপ-প‌রিদর্শক (এসআই) দীপঙ্কর চন্দ্র রায় গণমাধ্যমকে বলেন, মামলায় পাঁচজন আসামি রয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামি রাসেল মিয়াসহ বাকি দুজনকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, অভিযোগকারী নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে তিনি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং তার গর্ভে যমজ সন্তান রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]