রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় মূলধারার বাইরে একশ্রেণীর কথিত ও ভূয়া টিভি সাংবাদিকের প্রতারণার জাল, চাঁদাবাজি ও চরম দৌরাত্ন্য জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় সূত্র বলছে, অর্থের বিনিময়ে অপ্রচলিত টিভি চ্যানেল বা কথিত অনুমোদনহীন অনলাইন, আইপি টিভির কার্ড কিনে এবং রঙ-বে-রঙের মাইক্রোফোন (বুম) ও বড় বড় ক্যামেরা স্ট্যান্ড হাতে নিয়ে এরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে পুরো জেলা। তবে জেলা সদর নয় এদের প্রধান টার্গেট উপজেলা ও প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকা। বিশেষ করে রাজশাহীতে হঠাৎ এই প্রবণতা মহামারী আকার ধারণ করেছে।
সূত্র জানায়, এদের প্রধান টার্গেট ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রার, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি), খাদ্যগুদাম, বিস্কুট কারখানা, এলজিইডি, পুকুর খনন, ইট ভাটা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে এসব বিষয়ে তাদের কোনো খবর নাই, তাদের কোনো খবর কেউ কখানো দেখেননি, তবুও তারা টিভি সাংবাদিক। সাংবাদিক আসবে খবর করবে এটা নিয়ে কারো কোনো আপত্তি নাই। কিন্তু এদের গতিবিধি, অসংলগ্ন কথাবার্তা ও অবস্থান সন্দেহজনক। এরা এসব প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির খবর প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ও বিভিন্ন কৌশলে মানুষকে জিম্মি করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলেও আলোচনা রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারীর সংস্থার বিশেষ অভিযান প্রয়োজন। অনুমোদনহীন এসব অনলাইন, আইপি টিভি ইত্যাদির আগ্রাসান বন্ধ করতে না পারলে সাংবাদিকের নামে প্রতারণা বন্ধ হবে না। তাদের এসব কর্মকান্ডে চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছে মূলধারার সাংবাদিকগণ।
এদিকে মূলধারার ইলেক্ট্রনিক, অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের নিদিষ্ট এলাকা থাকে তাদের কর্মতৎপরতা নিয়েও কোনো প্রশ্ন নাই। তবে, এসব কথিত টেলিভিশন সাংবাদিকের কোনো নিদিষ্ট এলাকা নাই বরং নিজ এলাকায় এরা প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত এদের কোনো তৎপরতা নাই, এরা আশপাশের জেলা-উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সঙ্গে টেলিভিশন সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণা করছে। তাদের এসব অপকর্মের কারণে মূলধারার সাংবাদিকগণ প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনার মুখোমুখি হচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অপ্রচলিত কথিত টিভি চ্যানেলের ৫ সাংবাদিক নীল রঙের কার নিয়ে দিনভর বিভিন্ন ইউপি ভূমি অফিস, খাদ্যগুদাম ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটাছুটি করেছেন। তবে কোনো টেলিভিশন চ্যানেলে তাদের কোনো খবর নাই, তাহলে এতোগুলো বুম ও ঠাটবাট কেন? এটা মানুষকে বোকা বানিয়ে ভয় দেখানো, এসব ঠাটবাট দেখে মানুষ যেনো মনে করেন এরা বড় টিভি সাংবাদিক?
সচেতন মহলের ভাষ্য, আসলে তারা যদি কোনো সংবাদ করতে চাই, তাহলে ভিকটিম ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সংবাদ করতেই পারেন, এটা নিয়ে তো কারো কোনো আপত্তি নাই। কিন্তু তা না করে দিনভর বিভিন্ন অফিসের বারান্দা, চিপা-চাপায়, ফুসুর-ফাসুর ও কানাকানি করা কেন?
স্থানীয়রা বলছে, এরা ছাগল খোয়াড় দেয়া থেকে শুরু করে কুকুরের ঝগড়া ভিডিও ধারণ করে তা ফেসবুক পেইজে আপলোড দিয়ে টিভি চ্যানেলের নামে প্রচার করে। কোনটি আইপি টিভি, কোনটি অনলাইন টিভি, কোনটি স্যাটেলাইট টিভি সেই সম্পর্কে সিংহভাগ মানুষের কোনো ধারণা নাই। আর সাধারণ মানুষের এই অজ্ঞতাকে পুঁজি করে প্রতারক চক্র টেলিভিশন চ্যানেলের নামে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এদের গলায় রঙবেরঙের ব্যাগ, কোমরে হরেক রঙের বাহারী পরিচয়পত্র, হাতে নানা রঙ-ঢঙ ও সাইজের মাইক্রোফোন ঝুলিয়ে বড় বড় ক্যামেরা নিয়ে এদের বেশিরভাগ নতুন মোটরসাইকেলে বা ভাড়ার কার-মাইক্রোবাসে চষে বেড়ায় পুরো এলাকা যেনো দেখার কেউ নেই। এদের বেশ-ভুষা দেখে দাপুটে সাংবাদিক মনে হলেও পরিচয়পত্র দেখলেই চোখ ছানাবড়া হওয়ার অবস্থা। এদের কারণে মূলধারার পেশাদার সাংবাদিকগণ রয়েছেন চরম বিপাকে।
সচেতন মহল এসব কথিত (ভূয়া) সাংবাদিকদের অপতৎপরতা ঠেকাতে এখানোই কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানিয়েছেন। প্রতিটি উপজেলায় এদের কিছু প্রতিনিধি (সোর্স) রয়েছে। তবে এদের কোনো খবর নাই। এদের প্রধান কাজ সকাল হলেই পত্রিকা ও ফেসবুক পেজে দেখা কোথায়? কে? কার বিরুদ্ধে কি খবর করলো। এটা দেখেই দলবল নিয়ে সেখানে হাজির। সেই খবরের প্রতিবাদ দেবার নামে এবং প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেয়া। স্কুলের গন্ডি পেরুতেই পারে নি, অথচ স্যুট-কোট পরে রঙ বে-রঙের (বুম) মাইক্রোফোন ও বড় বড় ক্যামেরা হাতে নিয়ে এরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন এলাকা।
সূত্র জানায়, এদের প্রধান টার্গেট ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রার, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি), খাদ্যগুদাম, বিস্কুট কারখানা, এলজিইডি, পুকুর খনন, ইট ভাটা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে এসব বিষয়ে তাদের কোনো খবর নাই, তাদের কোনো খবর কেউ কখানো দেখেননি, তবুও তারা টিভি সাংবাদিক। সাংবাদিক আসবে খবর করবে এটা নিয়ে কারো কোনো আপত্তি নাই। কিন্তু এদের গতিবিধি, অসংলগ্ন কথাবার্তা ও অবস্থান সন্দেহজনক। এরা এসব প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির খবর প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ও বিভিন্ন কৌশলে মানুষকে জিম্মি করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলেও আলোচনা রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারীর সংস্থার বিশেষ অভিযান প্রয়োজন। অনুমোদনহীন এসব অনলাইন, আইপি টিভি ইত্যাদির আগ্রাসান বন্ধ করতে না পারলে সাংবাদিকের নামে প্রতারণা বন্ধ হবে না। তাদের এসব কর্মকান্ডে চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছে মূলধারার সাংবাদিকগণ।
এদিকে মূলধারার ইলেক্ট্রনিক, অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের নিদিষ্ট এলাকা থাকে তাদের কর্মতৎপরতা নিয়েও কোনো প্রশ্ন নাই। তবে, এসব কথিত টেলিভিশন সাংবাদিকের কোনো নিদিষ্ট এলাকা নাই বরং নিজ এলাকায় এরা প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত এদের কোনো তৎপরতা নাই, এরা আশপাশের জেলা-উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সঙ্গে টেলিভিশন সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণা করছে। তাদের এসব অপকর্মের কারণে মূলধারার সাংবাদিকগণ প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনার মুখোমুখি হচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অপ্রচলিত কথিত টিভি চ্যানেলের ৫ সাংবাদিক নীল রঙের কার নিয়ে দিনভর বিভিন্ন ইউপি ভূমি অফিস, খাদ্যগুদাম ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটাছুটি করেছেন। তবে কোনো টেলিভিশন চ্যানেলে তাদের কোনো খবর নাই, তাহলে এতোগুলো বুম ও ঠাটবাট কেন? এটা মানুষকে বোকা বানিয়ে ভয় দেখানো, এসব ঠাটবাট দেখে মানুষ যেনো মনে করেন এরা বড় টিভি সাংবাদিক?
সচেতন মহলের ভাষ্য, আসলে তারা যদি কোনো সংবাদ করতে চাই, তাহলে ভিকটিম ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সংবাদ করতেই পারেন, এটা নিয়ে তো কারো কোনো আপত্তি নাই। কিন্তু তা না করে দিনভর বিভিন্ন অফিসের বারান্দা, চিপা-চাপায়, ফুসুর-ফাসুর ও কানাকানি করা কেন?
স্থানীয়রা বলছে, এরা ছাগল খোয়াড় দেয়া থেকে শুরু করে কুকুরের ঝগড়া ভিডিও ধারণ করে তা ফেসবুক পেইজে আপলোড দিয়ে টিভি চ্যানেলের নামে প্রচার করে। কোনটি আইপি টিভি, কোনটি অনলাইন টিভি, কোনটি স্যাটেলাইট টিভি সেই সম্পর্কে সিংহভাগ মানুষের কোনো ধারণা নাই। আর সাধারণ মানুষের এই অজ্ঞতাকে পুঁজি করে প্রতারক চক্র টেলিভিশন চ্যানেলের নামে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এদের গলায় রঙবেরঙের ব্যাগ, কোমরে হরেক রঙের বাহারী পরিচয়পত্র, হাতে নানা রঙ-ঢঙ ও সাইজের মাইক্রোফোন ঝুলিয়ে বড় বড় ক্যামেরা নিয়ে এদের বেশিরভাগ নতুন মোটরসাইকেলে বা ভাড়ার কার-মাইক্রোবাসে চষে বেড়ায় পুরো এলাকা যেনো দেখার কেউ নেই। এদের বেশ-ভুষা দেখে দাপুটে সাংবাদিক মনে হলেও পরিচয়পত্র দেখলেই চোখ ছানাবড়া হওয়ার অবস্থা। এদের কারণে মূলধারার পেশাদার সাংবাদিকগণ রয়েছেন চরম বিপাকে।
সচেতন মহল এসব কথিত (ভূয়া) সাংবাদিকদের অপতৎপরতা ঠেকাতে এখানোই কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানিয়েছেন। প্রতিটি উপজেলায় এদের কিছু প্রতিনিধি (সোর্স) রয়েছে। তবে এদের কোনো খবর নাই। এদের প্রধান কাজ সকাল হলেই পত্রিকা ও ফেসবুক পেজে দেখা কোথায়? কে? কার বিরুদ্ধে কি খবর করলো। এটা দেখেই দলবল নিয়ে সেখানে হাজির। সেই খবরের প্রতিবাদ দেবার নামে এবং প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেয়া। স্কুলের গন্ডি পেরুতেই পারে নি, অথচ স্যুট-কোট পরে রঙ বে-রঙের (বুম) মাইক্রোফোন ও বড় বড় ক্যামেরা হাতে নিয়ে এরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন এলাকা।