রাজশাহী পরীক্ষার্থীদের বাসায় ডেকে নিয়ে টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার খাতায় লিখিয়ে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের এক পরীক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগটি তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী। কমিটিকে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুর রউফের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। একই দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকেও এ বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার একজন পরীক্ষকের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থীদের ফোনে বাসায় ডেকে নেওয়া এবং টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার খাতায় লিখিয়ে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষক মোঃ সেকেন্দার আলীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়টি যাচাই ও তদন্তে বোর্ডের পাঁচ কর্মকর্তাকে নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বোর্ডের উপপরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) মোঃ ইব্রাহিম হোসেনকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন প্রধান মূল্যায়ন কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) এস. এম. গোলাম আজম, প্রোগ্রামার মোঃ সিরাজুল ইসলাম, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চ মাধ্যমিক) (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোছা. সেলিনা পারভীন এবং উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোঃ জাহিদুর রহিম।
অফিস আদেশে তদন্ত কমিটিকে অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বোর্ডের সচিবের কাছে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে নাম আসা মোঃ সেকেন্দার আলী রাজশাহীর হাজী জমির উদ্দিন শাফিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুর রউফের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। একই দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকেও এ বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার একজন পরীক্ষকের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থীদের ফোনে বাসায় ডেকে নেওয়া এবং টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার খাতায় লিখিয়ে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষক মোঃ সেকেন্দার আলীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়টি যাচাই ও তদন্তে বোর্ডের পাঁচ কর্মকর্তাকে নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বোর্ডের উপপরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) মোঃ ইব্রাহিম হোসেনকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন প্রধান মূল্যায়ন কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) এস. এম. গোলাম আজম, প্রোগ্রামার মোঃ সিরাজুল ইসলাম, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চ মাধ্যমিক) (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোছা. সেলিনা পারভীন এবং উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোঃ জাহিদুর রহিম।
অফিস আদেশে তদন্ত কমিটিকে অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বোর্ডের সচিবের কাছে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে নাম আসা মোঃ সেকেন্দার আলী রাজশাহীর হাজী জমির উদ্দিন শাফিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক।