পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজশাহী মহানগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের তালাইমারি শহীদ মিনার এলাকার নদীরধারে বসবাসরত বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তালাইমারি শহীদ মিনার এলাকায় নদীরধারে বসবাসরত বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে তিনি নিজ হাতে ত্রাণ সামগ্রী ও জরুরি ওষুধ বিতরণ করেন। এ সময় বন্যাদুর্গত মানুষদের কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সব সময় পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন রাসিক প্রশাসক।
ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে রাসিক প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “বিপদের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে যারা দুর্ভোগে পড়েছেন, তাদের কষ্ট আমরা উপলব্ধি করছি। আমরা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছি। বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও পাশে আছে। এই সময়ে কেউ যেন নিজেকে অসহায় মনে না করেন— সে জন্য মানবিক সহায়তা নিয়ে আমরা তাদের পাশে আছি এবং এভাবে আগামীতেও পাশে থাকব। বন্যাকবলিত প্রতিটি পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে। নদীর তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলে বসবাসরত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।
রাসিক প্রশাসক আরো বলেন, রাজশাহীতে বন্যায় প্রায় ৫৫০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য আমরা পেয়েছি। আমরা প্রতিটি পরিবারের পাশে আছি। প্রত্যেক পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী পৌছে দেয়া হচ্ছে। যতদিন পানিবন্দী অবস্থায় থাকবে, ততদিন আমরা তাদের পাশে থাকবো।
এ সময় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সচিব সোহেল রানা, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এবং রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি বৃন্দ যথাক্রমে আসলাম সরকার, মুক্তার হোসেন, জয়নাল আবেদীন, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলু, বোয়ালিয়া থানা পূর্ব বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম নিপু, মহানগর বিএনপি’র দপ্তরের দায়িত্বে মুঈদুর রহমান মঈদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি, মহানগর মৎস্যজীবী দলের সভাপতি জাকের আলী শান্তি, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন বিপ্লব, ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মোঃ লিটন, সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম রঞ্জু, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর আলী জ্যাকি,সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৌরভ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তালাইমারি শহীদ মিনার এলাকায় নদীরধারে বসবাসরত বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে তিনি নিজ হাতে ত্রাণ সামগ্রী ও জরুরি ওষুধ বিতরণ করেন। এ সময় বন্যাদুর্গত মানুষদের কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সব সময় পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন রাসিক প্রশাসক।
ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে রাসিক প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “বিপদের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে যারা দুর্ভোগে পড়েছেন, তাদের কষ্ট আমরা উপলব্ধি করছি। আমরা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছি। বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও পাশে আছে। এই সময়ে কেউ যেন নিজেকে অসহায় মনে না করেন— সে জন্য মানবিক সহায়তা নিয়ে আমরা তাদের পাশে আছি এবং এভাবে আগামীতেও পাশে থাকব। বন্যাকবলিত প্রতিটি পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে। নদীর তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলে বসবাসরত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।
রাসিক প্রশাসক আরো বলেন, রাজশাহীতে বন্যায় প্রায় ৫৫০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য আমরা পেয়েছি। আমরা প্রতিটি পরিবারের পাশে আছি। প্রত্যেক পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী পৌছে দেয়া হচ্ছে। যতদিন পানিবন্দী অবস্থায় থাকবে, ততদিন আমরা তাদের পাশে থাকবো।
এ সময় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সচিব সোহেল রানা, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এবং রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি বৃন্দ যথাক্রমে আসলাম সরকার, মুক্তার হোসেন, জয়নাল আবেদীন, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলু, বোয়ালিয়া থানা পূর্ব বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম নিপু, মহানগর বিএনপি’র দপ্তরের দায়িত্বে মুঈদুর রহমান মঈদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি, মহানগর মৎস্যজীবী দলের সভাপতি জাকের আলী শান্তি, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন বিপ্লব, ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মোঃ লিটন, সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম রঞ্জু, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর আলী জ্যাকি,সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৌরভ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।