রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের পদ্মার ১৫টি চরের প্রায় ২০ হাজার মানুষ এক সপ্তাহ ধরে পানিবন্দী। ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। যাতায়াতের ব্যবস্থা না থাকায় বিদ্যালয়ে যেতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। ফলে ছয়টি সরকারি প্রাথমিক ও দুটি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের ছুটি কার্যকর হয়েছে। তবে বিদ্যালয়গুলোর দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। চকরাজাপুর ও পলাশি ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী পানিবন্দী হওয়ায় জেলা শিক্ষা অফিসের নির্দেশে বিদ্যালয় দুটি বন্ধ রাখা হয়েছে। একই কারণে ছয়টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও পাঠদান বন্ধ রয়েছে। তবে বন্যাকবলিত না হওয়ায় পলাশি, চকরাজাপুর ও পূর্ব চকরাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান চলছে।
চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহেল রানা বলেন, এক সপ্তাহ ধরে পানির মধ্যে বসবাস করছেন তাঁরা। ঘর থেকে বের হওয়ার উপায় নেই। ঘরের ভেতর মাচা করে থাকতে হচ্ছে। এমন অবস্থায় বিদ্যালয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোহেল রানা বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু পানির কারণে শিক্ষার্থীরা আসতে পারছে না।
পানি কিছুটা কমলেও সোমবারও চরবাসীর দুর্ভোগ কাটেনি। আতারপাড়া, চৌমাদিয়া, দিয়াড়কাদিপুর, কালিদাসখালী, চকরাজাপুর, দাদপুর, পলাশি ফতেপুর, লক্ষ্মীনগরসহ বিভিন্ন এলাকার ফসলের মাঠ তলিয়ে গেছে। গবাদিপশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন পানিবন্দী থাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটও দেখা দিয়েছে।
চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জগলু শিকদার বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০০ পানিবন্দী পরিবারের মধ্যে পরিবারপ্রতি ১৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা আনসার ও ভিডিপির পক্ষ থেকেও ১০০ পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার, চিড়া, মুড়ি, আখের গুড়, খাবার স্যালাইন, ওষুধ ও বিশুদ্ধ পানি দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তকী ফয়সাল তালুকদার বলেন, বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষা কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। চরাঞ্চলের মানুষ দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁদের ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সামর্থ্যবান ও সুহৃদ ব্যক্তিদেরও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের ছুটি কার্যকর হয়েছে। তবে বিদ্যালয়গুলোর দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। চকরাজাপুর ও পলাশি ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী পানিবন্দী হওয়ায় জেলা শিক্ষা অফিসের নির্দেশে বিদ্যালয় দুটি বন্ধ রাখা হয়েছে। একই কারণে ছয়টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও পাঠদান বন্ধ রয়েছে। তবে বন্যাকবলিত না হওয়ায় পলাশি, চকরাজাপুর ও পূর্ব চকরাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান চলছে।
চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহেল রানা বলেন, এক সপ্তাহ ধরে পানির মধ্যে বসবাস করছেন তাঁরা। ঘর থেকে বের হওয়ার উপায় নেই। ঘরের ভেতর মাচা করে থাকতে হচ্ছে। এমন অবস্থায় বিদ্যালয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোহেল রানা বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু পানির কারণে শিক্ষার্থীরা আসতে পারছে না।
পানি কিছুটা কমলেও সোমবারও চরবাসীর দুর্ভোগ কাটেনি। আতারপাড়া, চৌমাদিয়া, দিয়াড়কাদিপুর, কালিদাসখালী, চকরাজাপুর, দাদপুর, পলাশি ফতেপুর, লক্ষ্মীনগরসহ বিভিন্ন এলাকার ফসলের মাঠ তলিয়ে গেছে। গবাদিপশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন পানিবন্দী থাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটও দেখা দিয়েছে।
চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জগলু শিকদার বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০০ পানিবন্দী পরিবারের মধ্যে পরিবারপ্রতি ১৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা আনসার ও ভিডিপির পক্ষ থেকেও ১০০ পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার, চিড়া, মুড়ি, আখের গুড়, খাবার স্যালাইন, ওষুধ ও বিশুদ্ধ পানি দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তকী ফয়সাল তালুকদার বলেন, বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষা কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। চরাঞ্চলের মানুষ দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁদের ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সামর্থ্যবান ও সুহৃদ ব্যক্তিদেরও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।