জামালপুরের মাদারগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর মরিয়ম নামের সাত বছরের এক শিশুর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের চরলোটাবর এলাকার জামিনুরের ঘরের মেঝের মাটির নিচ থেকে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরিয়ম ওই এলাকার বাহাদুরের মেয়ে। সে সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায়।
পুলিশ ও নিহত শিশুর বাবা বাহাদুর জানান, গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় মরিয়ম। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে তার সন্ধানে মাইকিং করা হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়া হয়।
শনিবার রাতে বিদ্যালয়ের পাশের জামিনুরের বসতঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় মরিয়মের মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বাড়ির মালিক জামিনুর ও তার স্ত্রী সবুজা বেগমকে আটক করা হয়েছে।
ওসি স্নেহাশীষ রায় বলেন, মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক জামিনুর ও তার স্ত্রী সবুজা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের চরলোটাবর এলাকার জামিনুরের ঘরের মেঝের মাটির নিচ থেকে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরিয়ম ওই এলাকার বাহাদুরের মেয়ে। সে সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায়।
পুলিশ ও নিহত শিশুর বাবা বাহাদুর জানান, গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় মরিয়ম। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে তার সন্ধানে মাইকিং করা হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়া হয়।
শনিবার রাতে বিদ্যালয়ের পাশের জামিনুরের বসতঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় মরিয়মের মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বাড়ির মালিক জামিনুর ও তার স্ত্রী সবুজা বেগমকে আটক করা হয়েছে।
ওসি স্নেহাশীষ রায় বলেন, মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক জামিনুর ও তার স্ত্রী সবুজা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।