অভিনেত্রী হিসাবে বরাবরই আত্মবিশ্বাসী সমান্থা রুথ প্রভু। পর্দায় তাঁর উপস্থিতি থেকে ক্যামেরার নেপথ্যে তাঁর সাজপোশাক, শারীরচর্চা— সবটাই যেন সেই আত্মবিশ্বাসেরই প্রকাশ। কিন্তু চার বছর আগে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি, হঠাৎ কিছু বুঝেই উঠতে পারেননি। ২০২২ সালে জানা যায়, মায়োসাইটিস নামের অটোইমিউন রোগে (অর্থাৎ এমন একটা রোগ যেখানে নিজের কোষকে চিনতে পারে না শরীর। ফলে শরীরের কোষগুলো একে অপরের শত্রু হয়ে ওঠে।) আক্রান্ত সমান্থা। তার পরে নায়িকার মনের কী অবস্থা হয়েছিল? জানালেন সমান্থা।
এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, আত্মবিশ্বাস এমন একটি জিনিস, যা তিনি অনেক যত্ন করে তৈরি করেছিলেন। শারীরচর্চা, নির্দিষ্ট জীবনযাপন, নিজের চেহারা ও পোশাক নিয়ে সচেতন থাকা— সব মিলিয়েই তৈরি হয়েছিল সেই আত্মবিশ্বাস। কিন্তু অসুস্থতা তাঁকে বুঝিয়েছিল, বাইরে থেকে যতই আত্মবিশ্বাসী দেখাক না কেন, শরীর খারাপ হলে সেই আত্মবিশ্বাস সবসময় কাজ করে না।
সমান্থার কথায়, অসুস্থতার খবর শোনার পর তাঁর মনে হয়েছিল, নিজের জীবনের উপর যেন আর তাঁর কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। এমনকি নিজের পরিচয়ও হারিয়ে ফেলছিলেন বলে মনে হয়েছিল। সময় লেগেছিল বুঝতে যে, পরিস্থিতিকে সবসময় নিজের মতো করে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। কিন্তু, সেই পরিস্থিতির সঙ্গে কী ভাবে মোকাবিলা করবেন, তা নিজের হাতে রাখা যায়।
ধীরে ধীরে বদলে যায় তাঁর আত্মবিশ্বাসের সংজ্ঞা। সমান্থা বুঝতে পারেন, সব সময় আত্মবিশ্বাসী হওয়ার চেষ্টা করার প্রয়োজন নেই। বরং জীবনের কঠিন সময় তাঁকে শিখিয়েছে ধৈর্য, মানসিক দৃঢ়তা, বিশ্বাসের মূল্য।
অসুস্থতার সময় ‘আমিই কেন?’— এই প্রশ্নও তাঁকে তাড়া করেছে। তবে ধীরে ধীরে সেই প্রশ্নের জায়গা নিয়েছে অন্য এক উপলব্ধি— ‘এই অভিজ্ঞতা থেকে কী শিখেছি আমি’? সমান্থার মতে, অসুস্থতার সময় পাওয়া সেই শিক্ষাগুলিই এখন তাঁর জীবনের অমূল্য সম্পদ।
এই পথ অবশ্য সহজ ছিল না। ২০২২ সালে মায়োসাইটিসের কথা প্রকাশ্যে জানানোর পর অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছিলেন সমান্থা। চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠার উপরেই জোর দিয়েছিলেন। কিন্তু শারীরিক লড়াইয়ের পাশাপাশি যে মানসিক লড়াইটাও চলছিল, এত দিন পরে তাঁর কথাতেই তা খানিকটা প্রকাশ পেল।
জীবন তাঁকে এমন এক শিক্ষা দিয়েছে, যা কোনও সাফল্য, খ্যাতি বা আত্মবিশ্বাস দিয়ে শেখা সম্ভব নয়। অসুস্থতার সেই কঠিন অধ্যায় পেরিয়ে সমান্থার উপলব্ধি— সব কিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও, প্রতিকূলতার সামনে নিজের প্রতিক্রিয়াটা বেছে নেওয়ার ক্ষমতা মানুষের নিজস্ব।
এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, আত্মবিশ্বাস এমন একটি জিনিস, যা তিনি অনেক যত্ন করে তৈরি করেছিলেন। শারীরচর্চা, নির্দিষ্ট জীবনযাপন, নিজের চেহারা ও পোশাক নিয়ে সচেতন থাকা— সব মিলিয়েই তৈরি হয়েছিল সেই আত্মবিশ্বাস। কিন্তু অসুস্থতা তাঁকে বুঝিয়েছিল, বাইরে থেকে যতই আত্মবিশ্বাসী দেখাক না কেন, শরীর খারাপ হলে সেই আত্মবিশ্বাস সবসময় কাজ করে না।
সমান্থার কথায়, অসুস্থতার খবর শোনার পর তাঁর মনে হয়েছিল, নিজের জীবনের উপর যেন আর তাঁর কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। এমনকি নিজের পরিচয়ও হারিয়ে ফেলছিলেন বলে মনে হয়েছিল। সময় লেগেছিল বুঝতে যে, পরিস্থিতিকে সবসময় নিজের মতো করে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। কিন্তু, সেই পরিস্থিতির সঙ্গে কী ভাবে মোকাবিলা করবেন, তা নিজের হাতে রাখা যায়।
ধীরে ধীরে বদলে যায় তাঁর আত্মবিশ্বাসের সংজ্ঞা। সমান্থা বুঝতে পারেন, সব সময় আত্মবিশ্বাসী হওয়ার চেষ্টা করার প্রয়োজন নেই। বরং জীবনের কঠিন সময় তাঁকে শিখিয়েছে ধৈর্য, মানসিক দৃঢ়তা, বিশ্বাসের মূল্য।
অসুস্থতার সময় ‘আমিই কেন?’— এই প্রশ্নও তাঁকে তাড়া করেছে। তবে ধীরে ধীরে সেই প্রশ্নের জায়গা নিয়েছে অন্য এক উপলব্ধি— ‘এই অভিজ্ঞতা থেকে কী শিখেছি আমি’? সমান্থার মতে, অসুস্থতার সময় পাওয়া সেই শিক্ষাগুলিই এখন তাঁর জীবনের অমূল্য সম্পদ।
এই পথ অবশ্য সহজ ছিল না। ২০২২ সালে মায়োসাইটিসের কথা প্রকাশ্যে জানানোর পর অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছিলেন সমান্থা। চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠার উপরেই জোর দিয়েছিলেন। কিন্তু শারীরিক লড়াইয়ের পাশাপাশি যে মানসিক লড়াইটাও চলছিল, এত দিন পরে তাঁর কথাতেই তা খানিকটা প্রকাশ পেল।
জীবন তাঁকে এমন এক শিক্ষা দিয়েছে, যা কোনও সাফল্য, খ্যাতি বা আত্মবিশ্বাস দিয়ে শেখা সম্ভব নয়। অসুস্থতার সেই কঠিন অধ্যায় পেরিয়ে সমান্থার উপলব্ধি— সব কিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও, প্রতিকূলতার সামনে নিজের প্রতিক্রিয়াটা বেছে নেওয়ার ক্ষমতা মানুষের নিজস্ব।