দিনকয়েক হল শুরু হয়েছে হিন্দি ‘বিগ বস্ ২০’। সলমন খানের স়ঞ্চালনায় জনপ্রিয় অনুষ্ঠানের নতুন মরসুম। আর প্রত্যাশিত ভাবেই, শুরু হতে না হতেই নাটক, ঝগড়া এবং বিতর্কে জমে উঠেছে অনুষ্ঠান। প্রথম দিন থেকেই প্রতিযোগীদের মধ্যে যেমন বন্ধুত্ব তৈরি হতে শুরু করেছে, তেমনই দেখা গিয়েছে বাগ্বিতণ্ডাও। এর মাঝেই সহ-প্রতিযোগী ঈশা রিখী এবং বক্সিং তারকা মেরি কমের বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করে বিতর্কে জড়ালেন টেলিভিশন অভিনেত্রী মাহী বিজ।
মাহী নিজেও স্বামী তথা অভিনেতা জয় ভানুশালীর থেকে আলাদা হয়েছেন। ‘বিগ বস্’-এর ঘরে কণিকা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি ‘সিঙ্গল’ কি না। এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাননি মাহী। পরে ঈশার সঙ্গে আড্ডার সময় তিনি জানান, গসিপ করতে তাঁর বেশ ভাল লাগে। এর পরেই মাহী বলেন, “বাইরে কার সঙ্গে কার প্রেমের সম্পর্ক? বলো আমাকে! সেটে তো তিন জন বিবাহবিচ্ছিন্না এসেছেন— তুমি, আমি আর ওই বক্সার (মেরি কম)। আমাদের তো দ্বিতীয় ইনিংস চলছে, ‘ডিভোর্সি স্পেশাল’!”
মাহীর মন্তব্য শুনে ঈশাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, তিনি কেন এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। ঈশা জানান, তিনি বরাবরই নিজের ব্যক্তিগত জীবন গোপন রেখেছেন এবং অনেকেই তাঁকে ঠিক ভাবে চেনেন না। মাহী তখন বলেন, গত দু’মাস ধরে ঈশা তো ইন্টারনেটে ছেয়ে আছেন। জবাবে ঈশা স্পষ্ট জানান, “আমি চাই না মানুষ আমাকে কারও প্রেমিকা বা স্ত্রী হিসাবে চিনুক। আমি নিজের নাম এবং নিজের পরিচিতিতে পরিচিত হতে চাই।”
এর পর মেরি কমকেও তাঁর বিচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্ন করেন মাহী। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অস্বীকার করেন বক্সিং তারকা। মাহী বলেন, প্রাক্তন সঙ্গীর সম্পর্কে সবসময় নেতিবাচক কথা বলার প্রয়োজন নেই, ভাল দিকও থাকতে পারে। ঈশাকে তখন বেশ বিরক্ত দেখায়। তিনি মাহীকে প্রশ্ন করেন, যখন তাঁরা দু’জনেই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইছেন না, তখন কেন বার বার তাঁদের সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই থেকেই শুরু বিতর্ক।
মাহী এবং জয় ২০১১ সালে বিয়ে করেন। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ১৪ বছরের দাম্পত্যের পর তাঁরা আনুষ্ঠানিক ভাবে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন। তবে মেয়ের দায়িত্ব তাঁরা একসঙ্গেই পালন করছেন।
অন্য দিকে, ঈশা এবং র্যাপার বাদশা তাঁদের সম্পর্ক মূলত আড়ালেই রেখেছিলেন। ২০২৬ সালের মার্চে ঈশার মায়ের পোস্ট করা ছবির মাধ্যমে তাঁদের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসে। তবে বিয়ের পাঁচ মাসের মধ্যেই তাঁদের বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন বাদশা নিজেই।
মেরি এবং কারুং ওঙ্খোলের ২০০৫ সালে বিয়ে করেন। তাঁদের চার সন্তান রয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে পারিবারিক এবং সম্প্রদায়ের প্রবীণদের উপস্থিতিতে পারস্পরিক সম্মতিতে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। ২০২৫ সালে মেরি প্রকাশ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
৬ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে ‘বিগ বস্ ২০’। সলমন খান ১৬ জন প্রতিযোগীর সঙ্গে দর্শকের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। প্রথম পর্বেই শুরু নাটক ও বিতর্ক। তবে এ বারের প্রতিযোগীদের তালিকা মনে ধরেনি দর্শকের একাংশের।
মাহী নিজেও স্বামী তথা অভিনেতা জয় ভানুশালীর থেকে আলাদা হয়েছেন। ‘বিগ বস্’-এর ঘরে কণিকা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি ‘সিঙ্গল’ কি না। এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাননি মাহী। পরে ঈশার সঙ্গে আড্ডার সময় তিনি জানান, গসিপ করতে তাঁর বেশ ভাল লাগে। এর পরেই মাহী বলেন, “বাইরে কার সঙ্গে কার প্রেমের সম্পর্ক? বলো আমাকে! সেটে তো তিন জন বিবাহবিচ্ছিন্না এসেছেন— তুমি, আমি আর ওই বক্সার (মেরি কম)। আমাদের তো দ্বিতীয় ইনিংস চলছে, ‘ডিভোর্সি স্পেশাল’!”
মাহীর মন্তব্য শুনে ঈশাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, তিনি কেন এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। ঈশা জানান, তিনি বরাবরই নিজের ব্যক্তিগত জীবন গোপন রেখেছেন এবং অনেকেই তাঁকে ঠিক ভাবে চেনেন না। মাহী তখন বলেন, গত দু’মাস ধরে ঈশা তো ইন্টারনেটে ছেয়ে আছেন। জবাবে ঈশা স্পষ্ট জানান, “আমি চাই না মানুষ আমাকে কারও প্রেমিকা বা স্ত্রী হিসাবে চিনুক। আমি নিজের নাম এবং নিজের পরিচিতিতে পরিচিত হতে চাই।”
এর পর মেরি কমকেও তাঁর বিচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্ন করেন মাহী। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অস্বীকার করেন বক্সিং তারকা। মাহী বলেন, প্রাক্তন সঙ্গীর সম্পর্কে সবসময় নেতিবাচক কথা বলার প্রয়োজন নেই, ভাল দিকও থাকতে পারে। ঈশাকে তখন বেশ বিরক্ত দেখায়। তিনি মাহীকে প্রশ্ন করেন, যখন তাঁরা দু’জনেই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইছেন না, তখন কেন বার বার তাঁদের সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই থেকেই শুরু বিতর্ক।
মাহী এবং জয় ২০১১ সালে বিয়ে করেন। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ১৪ বছরের দাম্পত্যের পর তাঁরা আনুষ্ঠানিক ভাবে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন। তবে মেয়ের দায়িত্ব তাঁরা একসঙ্গেই পালন করছেন।
অন্য দিকে, ঈশা এবং র্যাপার বাদশা তাঁদের সম্পর্ক মূলত আড়ালেই রেখেছিলেন। ২০২৬ সালের মার্চে ঈশার মায়ের পোস্ট করা ছবির মাধ্যমে তাঁদের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসে। তবে বিয়ের পাঁচ মাসের মধ্যেই তাঁদের বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন বাদশা নিজেই।
মেরি এবং কারুং ওঙ্খোলের ২০০৫ সালে বিয়ে করেন। তাঁদের চার সন্তান রয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে পারিবারিক এবং সম্প্রদায়ের প্রবীণদের উপস্থিতিতে পারস্পরিক সম্মতিতে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। ২০২৫ সালে মেরি প্রকাশ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
৬ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে ‘বিগ বস্ ২০’। সলমন খান ১৬ জন প্রতিযোগীর সঙ্গে দর্শকের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। প্রথম পর্বেই শুরু নাটক ও বিতর্ক। তবে এ বারের প্রতিযোগীদের তালিকা মনে ধরেনি দর্শকের একাংশের।