মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে বহুল আলোচিত শীর্ষ বৈঠকের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বিশ্বমঞ্চে চীনের অবস্থান ও প্রভাব তত শক্তিশালী করতে বড় ধরনের কূটনৈতিক অভিযান শুরু করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
চলতি মাসের ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সাথে বৈঠক করার কথা রয়েছে তার। তবে এই বৈঠকের আগেই ইউরেশিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত একাধিক প্রভাবশালী রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক জোরদার করে যুক্তরাষ্ট্রকে এক স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে বেইজিং—চীন একা নয়, তাদের কাছে শক্তিশালী বিকল্প আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক জোট রয়েছে।
চলতি বছরের শুরুর দিকে শি জিনপিং বেশিরভাগ সময় বেইজিংয়ে অবস্থান করলেও ওয়াশিংটন সফরের পূর্বে তিনি মধ্য এশিয়া ও মিশরে কূটনৈতিক সফর সম্পন্ন করেছেন। কায়রোতে মিশরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সাথে বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও নতুন নিরাপত্তা কাঠামোর প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি। অন্যদিকে, সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বৈঠকে ১০ সদস্য দেশের উদ্দেশ্যে শি আহ্বান জানান যেন তারা নিজেদের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দেয় এবং কোনো বহিরাগত শক্তিকে আঞ্চলিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে না দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, বাণিজ্য যুদ্ধ, প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে চীন মূলত তাদের বিকল্প বাণিজ্য, জ্বালানি ও প্রযুক্তি নেটওয়ার্ক প্রদর্শন করছে। এর মাধ্যমে বেইজিং মার্কিন একতরফাবাদকে চ্যালেঞ্জ করে বহুপাক্ষিক বিশ্ব ব্যবস্থার ওপর জোর দিচ্ছে।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্টের এই সফরকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের ঘোষণা দিয়েছেন, তবুও দুই পরাশক্তির মধ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। বাণিজ্য শুল্ক, তাইওয়ান সংকট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রতিযোগিতার মতো জটিল বিষয়গুলো এই বৈঠকে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। শি জিনপিংয়ের সাথে একটি বৃহৎ চীনা ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলও যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি আনতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
চলতি মাসের ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সাথে বৈঠক করার কথা রয়েছে তার। তবে এই বৈঠকের আগেই ইউরেশিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত একাধিক প্রভাবশালী রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক জোরদার করে যুক্তরাষ্ট্রকে এক স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে বেইজিং—চীন একা নয়, তাদের কাছে শক্তিশালী বিকল্প আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক জোট রয়েছে।
চলতি বছরের শুরুর দিকে শি জিনপিং বেশিরভাগ সময় বেইজিংয়ে অবস্থান করলেও ওয়াশিংটন সফরের পূর্বে তিনি মধ্য এশিয়া ও মিশরে কূটনৈতিক সফর সম্পন্ন করেছেন। কায়রোতে মিশরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সাথে বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও নতুন নিরাপত্তা কাঠামোর প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি। অন্যদিকে, সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বৈঠকে ১০ সদস্য দেশের উদ্দেশ্যে শি আহ্বান জানান যেন তারা নিজেদের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দেয় এবং কোনো বহিরাগত শক্তিকে আঞ্চলিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে না দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, বাণিজ্য যুদ্ধ, প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে চীন মূলত তাদের বিকল্প বাণিজ্য, জ্বালানি ও প্রযুক্তি নেটওয়ার্ক প্রদর্শন করছে। এর মাধ্যমে বেইজিং মার্কিন একতরফাবাদকে চ্যালেঞ্জ করে বহুপাক্ষিক বিশ্ব ব্যবস্থার ওপর জোর দিচ্ছে।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্টের এই সফরকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের ঘোষণা দিয়েছেন, তবুও দুই পরাশক্তির মধ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। বাণিজ্য শুল্ক, তাইওয়ান সংকট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রতিযোগিতার মতো জটিল বিষয়গুলো এই বৈঠকে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। শি জিনপিংয়ের সাথে একটি বৃহৎ চীনা ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলও যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি আনতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।