যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তীব্র সামরিক সংঘাত এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 'হরমুজ প্রণালী' অবরুদ্ধ হওয়ার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের বাজারে মারাত্মক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত বেঞ্চমার্ক 'ব্রেন্ট ক্রুড'-এর দাম প্রতি ব্যারেলে ১০০ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
সর্বশেষ বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে প্রায় ৯৭ ডলারে লেনদেন হচ্ছে—যা গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে সোমবার বাজার চালুর শুরুতেই দাম লাফিয়ে ৯৮.০৬ ডলারে পৌঁছে যায়। পাশাপাশি মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯২.৫৩ ডলার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের 'মুরবান ক্রুড'-এর দাম বেড়ে ১০৬.৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিগত মাত্র এক মাসে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০ শতাংশ) পরিবহন করা হয় পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালী দিয়ে। সম্প্রতি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি অনুযায়ী, দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লে এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি তেল ট্যাংকারে হামলা চালায়।
এর জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে সামরিক নিষেধাজ্ঞা এলাকা (Restricted Maritime Zone) ঘোষণার পরিকল্পনা ও বাণিজ্যিক জাহাজে কড়াকড়ির হুমকি দিয়েছে। মেরিন অ্যানালিটিক্স প্রতিষ্ঠান 'কেপলার'-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ দিনে এই প্রণালী দিয়ে দৈনিক গড়ে মাত্র ১০টি পণ্যবাহী জাহাজ পারাপার করতে পেরেছে, যা গত মে মাসের পর সর্বনিম্ন।
হরমুজ সংকট ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য অবকাঠামো আক্রমণের মুখে পড়ছে। ইয়েমেন সংলগ্ন সৌদি আরামকোর জিজান তেল শোধনাগারে এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো হামলা চালানো হয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলার পার হলে তার প্রভাব সরাসরি পেট্রোল, ডিজেল ও বিমান জ্বালানির ওপর পড়বে। এতে আমদানি নির্ভর এশীয় ও ইউরোপীয় দেশগুলোতে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি, তীব্র মূল্যস্ফীতি এবং বাণিজ্য ঘাটতি নতুন রেকর্ড গড়তে পারে। বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক 'গোল্ডম্যান স্যাক্স' সতর্ক করেছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ও নৌপথে হামলা অব্যাহত থাকলে তেলের দাম ব্যারেলে ১২০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।
সর্বশেষ বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে প্রায় ৯৭ ডলারে লেনদেন হচ্ছে—যা গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে সোমবার বাজার চালুর শুরুতেই দাম লাফিয়ে ৯৮.০৬ ডলারে পৌঁছে যায়। পাশাপাশি মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯২.৫৩ ডলার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের 'মুরবান ক্রুড'-এর দাম বেড়ে ১০৬.৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিগত মাত্র এক মাসে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০ শতাংশ) পরিবহন করা হয় পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালী দিয়ে। সম্প্রতি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি অনুযায়ী, দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লে এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি তেল ট্যাংকারে হামলা চালায়।
এর জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে সামরিক নিষেধাজ্ঞা এলাকা (Restricted Maritime Zone) ঘোষণার পরিকল্পনা ও বাণিজ্যিক জাহাজে কড়াকড়ির হুমকি দিয়েছে। মেরিন অ্যানালিটিক্স প্রতিষ্ঠান 'কেপলার'-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ দিনে এই প্রণালী দিয়ে দৈনিক গড়ে মাত্র ১০টি পণ্যবাহী জাহাজ পারাপার করতে পেরেছে, যা গত মে মাসের পর সর্বনিম্ন।
হরমুজ সংকট ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য অবকাঠামো আক্রমণের মুখে পড়ছে। ইয়েমেন সংলগ্ন সৌদি আরামকোর জিজান তেল শোধনাগারে এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো হামলা চালানো হয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলার পার হলে তার প্রভাব সরাসরি পেট্রোল, ডিজেল ও বিমান জ্বালানির ওপর পড়বে। এতে আমদানি নির্ভর এশীয় ও ইউরোপীয় দেশগুলোতে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি, তীব্র মূল্যস্ফীতি এবং বাণিজ্য ঘাটতি নতুন রেকর্ড গড়তে পারে। বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক 'গোল্ডম্যান স্যাক্স' সতর্ক করেছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ও নৌপথে হামলা অব্যাহত থাকলে তেলের দাম ব্যারেলে ১২০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।