পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম, পদবি ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলে পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাকে ফোন ও মেসেজ দিয়ে ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবির অভিযোগে মোঃ শরিফুল ইসলাম (২৭) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার রানীনগর পানির ট্যাংক এলাকার এইচ/৪৮ নম্বর বাসার নিচতলায় অভিযান চালিয়ে সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
শুক্রবার বিকালে র্যাব-৫, রাজশাহীর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
র্যাব জানায়, শরিফুল ইসলাম বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের ক্রাইম অ্যান্ড অপস শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ হুমায়ুন কবিরের নাম, পদবি ও ছবি ব্যবহার করে অন্যের নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড দিয়ে একটি ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ আইডি পরিচালনা করতেন। ওই আইডি ব্যবহার করে তিনি প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা ও দায়রা জজ এবং আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।
জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার ভয় দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে টাকা দাবি করার তথ্য পাওয়া গেছে। শুধু রাজশাহী নয়, ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করে অন্যের নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে তিনি অনলাইন প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব আরও জানায়, আসামির পিসিপিআর যাচাই করে একই ধরনের প্রতারণার অভিযোগে এর আগে বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব মামলায় গ্রেফতার হয়ে জামিনে মুক্তির পরও তিনি পুনরায় একই ধরনের অপরাধে জড়িয়েছেন বলে দাবি র্যাবের।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার রানীনগর পানির ট্যাংক এলাকার এইচ/৪৮ নম্বর বাসার নিচতলায় অভিযান চালিয়ে সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
শুক্রবার বিকালে র্যাব-৫, রাজশাহীর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
র্যাব জানায়, শরিফুল ইসলাম বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের ক্রাইম অ্যান্ড অপস শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ হুমায়ুন কবিরের নাম, পদবি ও ছবি ব্যবহার করে অন্যের নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড দিয়ে একটি ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ আইডি পরিচালনা করতেন। ওই আইডি ব্যবহার করে তিনি প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা ও দায়রা জজ এবং আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।
জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার ভয় দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে টাকা দাবি করার তথ্য পাওয়া গেছে। শুধু রাজশাহী নয়, ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করে অন্যের নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে তিনি অনলাইন প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব আরও জানায়, আসামির পিসিপিআর যাচাই করে একই ধরনের প্রতারণার অভিযোগে এর আগে বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব মামলায় গ্রেফতার হয়ে জামিনে মুক্তির পরও তিনি পুনরায় একই ধরনের অপরাধে জড়িয়েছেন বলে দাবি র্যাবের।