সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় পুলিশ হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার পর উপজেলার দামোধরদপী পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া আসামির নাম আসির মিয়া (৩৫)। তিনি উপজেলার দামোধরদপী গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৯টার দিকে দামোধরদপী পয়েন্টে শান্তিগঞ্জ থানার এসআই নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ একটি অভিযানিক দল একটি মামলার আসামি আসির মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়ার সময় সুযোগ বুঝে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। এ সময় তার হাতে পুলিশের হ্যান্ডকাফ পরানো ছিল বলে জানা গেছে।
পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ আসামি পালিয়ে যাওয়ার পর তাকে ধরতে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশের একাধিক দল বিভিন্ন স্থানে অভিযান ও তল্লাশি চালাচ্ছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে দামোধরদপী গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য মো. আজির উদ্দিন জানান, পুলিশের অভিযান চলাকালে তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তিনি একটি বিচার-শালিসে ছিলেন। পরে এসে তিনি জানতে পারেন, আসির মিয়াকে আটক করার সময় সেখানে হইচই শুরু হলে সুযোগ বুঝে সে পুলিশের হাতকড়াসহ পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল্লাহ বলেন, ‘পুলিশের হেফাজত থেকে একজন আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজন সরকার বলেন, ‘বিষয়টি আমি অবগত নই। যদি এরকম হয়ে থাকে তাহলে,সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।’
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার পর উপজেলার দামোধরদপী পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া আসামির নাম আসির মিয়া (৩৫)। তিনি উপজেলার দামোধরদপী গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৯টার দিকে দামোধরদপী পয়েন্টে শান্তিগঞ্জ থানার এসআই নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ একটি অভিযানিক দল একটি মামলার আসামি আসির মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়ার সময় সুযোগ বুঝে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। এ সময় তার হাতে পুলিশের হ্যান্ডকাফ পরানো ছিল বলে জানা গেছে।
পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ আসামি পালিয়ে যাওয়ার পর তাকে ধরতে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশের একাধিক দল বিভিন্ন স্থানে অভিযান ও তল্লাশি চালাচ্ছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে দামোধরদপী গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য মো. আজির উদ্দিন জানান, পুলিশের অভিযান চলাকালে তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তিনি একটি বিচার-শালিসে ছিলেন। পরে এসে তিনি জানতে পারেন, আসির মিয়াকে আটক করার সময় সেখানে হইচই শুরু হলে সুযোগ বুঝে সে পুলিশের হাতকড়াসহ পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল্লাহ বলেন, ‘পুলিশের হেফাজত থেকে একজন আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজন সরকার বলেন, ‘বিষয়টি আমি অবগত নই। যদি এরকম হয়ে থাকে তাহলে,সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।’