আশ্রয়ের আশা দিয়ে তরুণীর ‘সর্বনাশে’ সহযোগিতা করেন গৃহবধূ, অতঃপর...

আপলোড সময় : ০৩-০৯-২০২৬ ১১:৩৭:১০ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০৩-০৯-২০২৬ ১১:৩৭:১০ পূর্বাহ্ন
ঢাকার সাভারে এক তরুণীকে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে শীলা বেগম (১৯) নামে এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে ভাকুর্তা ভাঙা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই মামলায় ধর্ষণের অভিযোগে বাসচালক নয়ন মণ্ডলকেও (৪৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ২৫ বছর বয়সী এক চাকরিপ্রার্থী তরুণী নয়ন মণ্ডলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং শীলা বেগমের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে মঙ্গলবার সকালে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে নয়নকে গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার সকালে ভাকুর্তা ভাঙা ব্রিজ এলাকা থেকে শীলা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুজনকেই বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ডিগ্রি পরীক্ষা দেওয়ার পর কিছুদিন আগে কাজের সন্ধানে ফরিদপুরের গ্রামের বাড়ি থেকে সাভারে যান ওই তরুণী। কাজ না পেয়ে সাভারের আমিনবাজার এলাকার মধুমতী মডেল টাউনে ঘোরাঘুরির সময় শীলা বেগম ও তার স্বামী ইমরানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে থাকার কোনো জায়গা না থাকায় শীলা বেগম ও তার স্বামী ইমরান তাকে তাদের বাসায় থাকার প্রস্তাব দেন।

তাদের কথায় বিশ্বাস করে ওই তরুণী মধুমতী মডেল টাউন এলাকায় শীলা ও ইমরানের ভাড়া বাসায় যান। গত ৩০ আগস্ট রাতে শীলার স্বামী ইমরান বাসায় না থাকায় ওই তরুণী শীলার সঙ্গে একই কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক ১১টা ২০ মিনিটের দিকে একই বাসার অপর ভাড়াটিয়া নয়ন ওই কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। এ সময় শীলা দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে শীলার সহযোগিতায় নয়ন তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে ‘খারাপ মেয়ে’ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে বলে শীলা ওই তরুণীকে হুমকি দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে শীলার স্বামী বাসায় ফিরে ওই তরুণীকে কান্নারত অবস্থায় দেখে ঘটনার বিষয়ে জানতে চান। তখন তিনি তাকে ঘটনাটি জানান। পরে শীলার স্বামী ইমরান তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেন। চিকিৎসা শেষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দেন।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]