মোহনপুরে মাদরাসা প্রধানের নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল

আপলোড সময় : ০২-০৯-২০২৬ ০৮:৪৩:৪০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০২-০৯-২০২৬ ০৮:৪৩:৪০ অপরাহ্ন
রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী  মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের (ইউপি) এমপিওভুক্ত বসন্তকেদার দারুস সুন্নাত দাখিল মাদরাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা গোলাম মোস্তফাকে এক নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে মাদরাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা  গোলাম মোস্তফাকে একটি কক্ষে ওই নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি ওই কক্ষে প্রবেশ করে তাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। তাদের প্রশ্নের জবাবে ভিডিওতে ওই ব্যক্তিকে নিজের নাম গোলাম মোস্তফা এবং নিজেকে শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিতে ও বিষয়টি নিয়ে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য অনুরোধ করতে দেখা যায়। তবে ভিডিওটি কখন, কোথায় এবং কী পরিস্থিতিতে ধারণ করা হয়েছিল, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভিডিওতে থাকা ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা তাকে প্রতিষ্ঠানটির সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা গোলাম মোস্তফা বলে নিশ্চিত করেছেন।

মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গোলাম মোস্তফা দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। তিনি এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে সরকারি বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। তাঁর চাকরির মেয়াদ শেষ হতে আরও প্রায় পাঁচ বছর বাকি রয়েছে বলেও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির বিষয়ে জানতে মাদরাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা গোলাম মোস্তফার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে বিষয়টি বসন্তকেদার দারুস সুন্নাত দাখিল মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইসারুল হককে জানানো হলে তিনি বলেন, ভিডিওটি আমার নজরে আসেনি। তবে বিষয়টি অনেকের মাধ্যমে জেনেছি। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে সুপারের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহমুদ হাসান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। ঘটনাটি সঠিক হলে ওই সুপারের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তসহ বেতন-ভাতা বন্ধের বিষয়ে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরপর মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতার বলেন, বিষয়টি খুবই সেনসিটিভ। তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে ওই সুপারের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ভিডিওটির সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এদিকে গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অভিযোগ থাকার কথা স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং নিজের মেয়ের সহপাঠী ও একই প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষার্থীকে বিয়ে করার পর অল্প সময়ের মধ্যে তালাক দেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। এ বিষয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা, মামলার নম্বর, কোন আদালতে মামলা চলছে এবং মামলার বর্তমান অবস্থান যাচাই করে পরবর্তী প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]