রাজশাহীর তানোরে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তানোর উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষন শেষে ডাকবাংলো গিয়ে সম্পন্ন হয়।
এর আগে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শরিফ উদ্দিন মুন্সীর সঞ্চালনায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন।
অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, সাবেক সম্পাদক মফিজ উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার,তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা, মুন্ডুমালা পৌর বিএনপির সাবেক সম্পাদক ফিরোজ কবির,তৌহিদুর রহমান রেজা,কামারগাঁ ইউপি বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান খলিল, কলমা ইউপি বিএনপির সম্পাদক মানিরুল ইসলাম,সুলতান আহমেদ মাস্টার, রবিউল ইসলাম মাস্টার,বাধাইড় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান হেনা, পাঁচন্দর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মমিনুল হক মমিন,সরনজাই ইউপি বিএনপির আহসান হাবিব সরকার নান্নু,উপজেলা যুবদলের আহবায়ক গোলাম মোর্তুজা,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এমদাদুল হক, যুগ্ম আহবায়ক রায়হানুল হক রায়হান,জেলা যুবদলের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রশিদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক,উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোতালেব হোসেন,ছাত্রনেতা রঞ্জু আহম্মেদ ও আনারুল ইসলাম মাস্টারপ্রমুখ।এছাড়াও বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি বলেন, এখন থেকে ৪৮ বছর আগে ১৯৭৮ সালে দেশের চরম ক্লান্তিলগ্নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি চাঙা ও দেশ গড়ার কাজে মনোনিবেশ করেন,তিনি ছিলেন দেশের সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিক।কিন্ত্ত ১৯৮১ সালে বিপদগামী সেনা সদস্যর হাতে শহীদ হন। তিনি শহিদ হবার পর তারা মনে করেছিল বিএনপি নামক দল আর এদেশে থাকবে না। কিন্তু বিএনপি ছিল গণ- মানুষের দল। গণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি বাকশাল ধ্বংস করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর দলের হাল ধরেন আপোষহীন নেত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া। এক দশক স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে আপমর বাংলার গণতন্ত্র কামী মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন ও আপোষহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে নানা প্রলোভন দিয়ে বেগম জিয়াকে ওই এক তরফা নির্বাচনে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয় স্বৈরশাসক। কিন্ত্ত অনেকেই ওই নির্বাচনে না যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে নির্বাচনে অংশ নেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বাংলার ইতিহাসে প্রথমবারের মত নারী প্রধানমন্ত্রী হন বেগম জিয়া। বিগত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে নানা ভাবে নির্যাতন করেও বেগম জিয়াকে পরাজিত করা যায়নি। অবশেষে গনতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। আমরা জিয়ার আদর্শের সৈনিক। জিয়ার সৈনিকরা পরাজিত না, তারা বিজয়ী।এসময় উপজেলার সাত ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভার বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তানোর উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষন শেষে ডাকবাংলো গিয়ে সম্পন্ন হয়।
এর আগে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শরিফ উদ্দিন মুন্সীর সঞ্চালনায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন।
অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, সাবেক সম্পাদক মফিজ উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার,তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা, মুন্ডুমালা পৌর বিএনপির সাবেক সম্পাদক ফিরোজ কবির,তৌহিদুর রহমান রেজা,কামারগাঁ ইউপি বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান খলিল, কলমা ইউপি বিএনপির সম্পাদক মানিরুল ইসলাম,সুলতান আহমেদ মাস্টার, রবিউল ইসলাম মাস্টার,বাধাইড় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান হেনা, পাঁচন্দর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মমিনুল হক মমিন,সরনজাই ইউপি বিএনপির আহসান হাবিব সরকার নান্নু,উপজেলা যুবদলের আহবায়ক গোলাম মোর্তুজা,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এমদাদুল হক, যুগ্ম আহবায়ক রায়হানুল হক রায়হান,জেলা যুবদলের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রশিদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক,উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোতালেব হোসেন,ছাত্রনেতা রঞ্জু আহম্মেদ ও আনারুল ইসলাম মাস্টারপ্রমুখ।এছাড়াও বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি বলেন, এখন থেকে ৪৮ বছর আগে ১৯৭৮ সালে দেশের চরম ক্লান্তিলগ্নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি চাঙা ও দেশ গড়ার কাজে মনোনিবেশ করেন,তিনি ছিলেন দেশের সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিক।কিন্ত্ত ১৯৮১ সালে বিপদগামী সেনা সদস্যর হাতে শহীদ হন। তিনি শহিদ হবার পর তারা মনে করেছিল বিএনপি নামক দল আর এদেশে থাকবে না। কিন্তু বিএনপি ছিল গণ- মানুষের দল। গণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি বাকশাল ধ্বংস করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর দলের হাল ধরেন আপোষহীন নেত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া। এক দশক স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে আপমর বাংলার গণতন্ত্র কামী মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন ও আপোষহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে নানা প্রলোভন দিয়ে বেগম জিয়াকে ওই এক তরফা নির্বাচনে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয় স্বৈরশাসক। কিন্ত্ত অনেকেই ওই নির্বাচনে না যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে নির্বাচনে অংশ নেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বাংলার ইতিহাসে প্রথমবারের মত নারী প্রধানমন্ত্রী হন বেগম জিয়া। বিগত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে নানা ভাবে নির্যাতন করেও বেগম জিয়াকে পরাজিত করা যায়নি। অবশেষে গনতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। আমরা জিয়ার আদর্শের সৈনিক। জিয়ার সৈনিকরা পরাজিত না, তারা বিজয়ী।এসময় উপজেলার সাত ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভার বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।