সিরাজগঞ্জ সদর থানা এলাকায় চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২। হত্যাকাণ্ডের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১২ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর থানার কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের বনবাড়ীয়া পূর্বপাড়া গ্রামের একটি মুদি দোকানের সামনে কাঁচা রাস্তায় নজরুল ইসলাম (৫৫) নামে এক ব্যক্তির ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় আসামি শফিকুল ইসলাম শফি ধারালো অস্ত্র দিয়ে নজরুলের মাথা লক্ষ্য করে কোপ দেন। কোপটি তার ডান কাঁধে লেগে তিনি গুরুতর জখম হন।
অভিযোগ রয়েছে, হামলার পর শফিকুল ইসলাম শফি, মো. জয়নালসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন আসামি নজরুল ইসলামকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
হামলার পর নজরুল ইসলাম দুই দিন অসুস্থ থাকার পর গত ২৯ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি ৩০ আগস্ট দায়ের করা হয়। মামলার নম্বর ৪১। এতে দণ্ডবিধির ৩২৪/৩২৬/২০৭/৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-১২ গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে সিরাজগঞ্জ সদর থানার সয়দাবাদ এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি মো. শফিকুল ইসলাম শফিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার শফিকুল ইসলাম শফি সিরাজগঞ্জ সদর থানার পাইকপাড়া এলাকার মৃত শুকুর শেখের ছেলে।
র্যাব-১২ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১২ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর থানার কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের বনবাড়ীয়া পূর্বপাড়া গ্রামের একটি মুদি দোকানের সামনে কাঁচা রাস্তায় নজরুল ইসলাম (৫৫) নামে এক ব্যক্তির ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় আসামি শফিকুল ইসলাম শফি ধারালো অস্ত্র দিয়ে নজরুলের মাথা লক্ষ্য করে কোপ দেন। কোপটি তার ডান কাঁধে লেগে তিনি গুরুতর জখম হন।
অভিযোগ রয়েছে, হামলার পর শফিকুল ইসলাম শফি, মো. জয়নালসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন আসামি নজরুল ইসলামকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
হামলার পর নজরুল ইসলাম দুই দিন অসুস্থ থাকার পর গত ২৯ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি ৩০ আগস্ট দায়ের করা হয়। মামলার নম্বর ৪১। এতে দণ্ডবিধির ৩২৪/৩২৬/২০৭/৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-১২ গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে সিরাজগঞ্জ সদর থানার সয়দাবাদ এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি মো. শফিকুল ইসলাম শফিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার শফিকুল ইসলাম শফি সিরাজগঞ্জ সদর থানার পাইকপাড়া এলাকার মৃত শুকুর শেখের ছেলে।
র্যাব-১২ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।