বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে অপহৃত চার মাস পাঁচ দিনের শিশু মারুফা জান্নাত মাহিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে র্যাব। এ ঘটনায় শিশুটির অপহরণ মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টা ৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানাধীন কমিশনার গলির কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৫, কক্সবাজারের যৌথ আভিযানিক দল।
আটক ব্যক্তিরা হলো: মোঃ আলম প্রকাশ নুরুল আলম (৩০), ভোলা সদর উপজেলার ভদ্রপাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে এবং তার স্ত্রী ত্রিশা প্রকাশ মারিয়া প্রকাশ সানজিনা আক্তার তিশা (২৫), নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার লতিফপুর এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব জানায়, উদ্ধার হওয়া শিশু মারুফা জান্নাত মাহি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থানার দক্ষিণ হালামী পাড়া গ্রামের মো. রশিদ উল্লাহ ও ইয়াছমিন আক্তারের মেয়ে। গত ২১ আগস্ট শিশুটি তার বাবা-মায়ের সঙ্গে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে আটক ত্রিশা প্রকাশ তিশার সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়।
পরদিন ২২ আগস্ট বিকেল ৫টার দিকে তিশা শিশুটিকে কোলে নিয়ে মোবাইল চার্জ দেওয়ার কথা বলে পাশের ঘরে যান। কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা পাশের ঘরে গিয়ে তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে তিশা ও মো. আলমকেও আর পাওয়া যায়নি।
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ২৬ আগস্ট দুটি মোবাইল নম্বর থেকে শিশুটির মায়ের ব্যবহৃত নম্বরে ফোন করে অপহরণকারীরা দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে শিশুটিকে ফেলে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় পাঁচজন এজাহারভুক্ত এবং এক থেকে দুইজন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২৬ আগস্ট দায়ের করা মামলাটির নম্বর ২২। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭/৮/৩০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
পরবর্তীতে র্যাব-৭ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, মামলার ৩ ও ৪ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। এর ভিত্তিতে র্যাব-৭ ও র্যাব-১৫-এর যৌথ দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে এবং তাদের হেফাজত থেকে অপহৃত শিশু মারুফা জান্নাত মাহিকে উদ্ধার করে।
র্যাব জানিয়েছে, আটক আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টা ৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানাধীন কমিশনার গলির কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৫, কক্সবাজারের যৌথ আভিযানিক দল।
আটক ব্যক্তিরা হলো: মোঃ আলম প্রকাশ নুরুল আলম (৩০), ভোলা সদর উপজেলার ভদ্রপাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে এবং তার স্ত্রী ত্রিশা প্রকাশ মারিয়া প্রকাশ সানজিনা আক্তার তিশা (২৫), নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার লতিফপুর এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব জানায়, উদ্ধার হওয়া শিশু মারুফা জান্নাত মাহি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থানার দক্ষিণ হালামী পাড়া গ্রামের মো. রশিদ উল্লাহ ও ইয়াছমিন আক্তারের মেয়ে। গত ২১ আগস্ট শিশুটি তার বাবা-মায়ের সঙ্গে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে আটক ত্রিশা প্রকাশ তিশার সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়।
পরদিন ২২ আগস্ট বিকেল ৫টার দিকে তিশা শিশুটিকে কোলে নিয়ে মোবাইল চার্জ দেওয়ার কথা বলে পাশের ঘরে যান। কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা পাশের ঘরে গিয়ে তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে তিশা ও মো. আলমকেও আর পাওয়া যায়নি।
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ২৬ আগস্ট দুটি মোবাইল নম্বর থেকে শিশুটির মায়ের ব্যবহৃত নম্বরে ফোন করে অপহরণকারীরা দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে শিশুটিকে ফেলে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় পাঁচজন এজাহারভুক্ত এবং এক থেকে দুইজন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২৬ আগস্ট দায়ের করা মামলাটির নম্বর ২২। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭/৮/৩০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
পরবর্তীতে র্যাব-৭ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, মামলার ৩ ও ৪ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। এর ভিত্তিতে র্যাব-৭ ও র্যাব-১৫-এর যৌথ দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে এবং তাদের হেফাজত থেকে অপহৃত শিশু মারুফা জান্নাত মাহিকে উদ্ধার করে।
র্যাব জানিয়েছে, আটক আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।