স্কুলের ভবন বিক্রি করা সেই প্রধান শিক্ষককে শোকজ

আপলোড সময় : ০১-০৯-২০২৬ ০৯:০১:৫১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০১-০৯-২০২৬ ০৯:০১:৫১ অপরাহ্ন
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধানুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন ভেঙে বিক্রি করা সেই প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে।

টেন্ডার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই ব্যবহার উপযোগী ভবনটি ভেঙে ফেলায় এলাকায় সমালোচনার
সৃষ্টি হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি।

এ ঘটনায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম রাফিউল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির গঠণ করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম আকতার, উপজেলা প্রকৌশলী মিলন মিয়া, বিএডিসি প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ও স্থানীয় ইউপি চেযারম্যান মাহবুবুর রহমান।

মঙ্গলবার সরজমিনে জানা গেছে, গত জুন-জুলাই মাসে ধানুড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন ২০২০-২১ অর্থবছরে বিদ্যালয়ের দুইকক্ষ বিশিষ্ট একতলা ভবন ও দুটি টিনশেড ঘর ভেঙে ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। অথচ ইউজিডিপি ও জাইকা প্রকল্পের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ২২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫২ টাকা ব্যয়ে ওই ভবন নির্মাণ করে।

২০২৩ সালে ভবনটি নির্মাণ শেষে উদ্বোধন করা হয়।

এদিকে ভেঙে ফেলা ভবনের জায়গাতেই ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন চারতলা বিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের কথা। কিন্তু জায়গা সংকটের কারণ দেখিয়ে স্কুলের ওই ভবনসহ পুরোনো আধাপাকা আরো একটি ভবন ভেঙে ফেলা হয় বলে জানান অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক।

তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম রাফিউল ইসলাম বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। ইউএনও স্যারের নির্দেশনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। তদন্তে
অনিয়মের প্রমাণ পেলে আইনগত ব্যবস্থার সুপারিশ করবে।

বিদ্যালয়ের বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি রনি আহমেদ বলেন, ভবন ভাঙা ও বিক্রির বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। প্রতিষ্ঠানের হিসাব-নিকাশও তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। তদন্তে প্রধান শিক্ষক দোষী প্রমানিত হলে বিচারও দাবী করেন তিনি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির রেজুলেশন রয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন দাবি করে বলেন- উপজেলা প্রশাসন থেকে কারন দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছিলো। তিনি তার জবাব দিয়েছেন। তদন্ত কাজ চলমান। তিনি আশা করছেন নির্দোশ প্রমানিত হবেন।

ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ বলেন, নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্রধান শিক্ষক নতুন ভবনটি ভেঙে বিক্রি করেছেন। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব করে চিঠি দেয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। নিয়মনীতির ব্যত্যয় ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]