মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নাটোরের সিংড়া উপজেলার কালিগঞ্জ বনমালী দ্বি-মুখী ইনস্টিটিউশনে ফ্যামিলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের নির্বাচনি ইশতাহার বাস্তবায়ন এবং জিপিএমএস কর্মপরিকল্পনার আওতায় সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নাটোর জেলা তথ্য অফিস এ ফ্যামিলি সমাবেশের আয়োজনে করে।
কালিগঞ্জ বনমালী দ্বি-মুখী ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মো. হান্নান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রোস্তম আলী হেলালী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য অফিসার মো. আ. আউয়াল এবং সঞ্চালনা করেন সহকারী তথ্য অফিসার রেজওয়ান মোরশেদ।
বক্তারা বলেন, একটি শিক্ষিত, নৈতিক ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানদের নিয়মিত পড়াশোনায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের নৈতিক মূল্যবোধ, শিষ্টাচার, দেশপ্রেম ও মানবিক গুণাবলীসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বক্তারা সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সমাবেশে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, খাল খনন কর্মসূচি এবং নারীর জন্য গাড়িসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া শিক্ষার গুরুত্ব, সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা, হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ, সামাজিক অবক্ষয় রোধ, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের চর্চা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সদ্ব্যবহার এবং মোবাইল ফোন ব্যবহারে সচেতনতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সমাবেশে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
কালিগঞ্জ বনমালী দ্বি-মুখী ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মো. হান্নান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রোস্তম আলী হেলালী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য অফিসার মো. আ. আউয়াল এবং সঞ্চালনা করেন সহকারী তথ্য অফিসার রেজওয়ান মোরশেদ।
বক্তারা বলেন, একটি শিক্ষিত, নৈতিক ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানদের নিয়মিত পড়াশোনায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের নৈতিক মূল্যবোধ, শিষ্টাচার, দেশপ্রেম ও মানবিক গুণাবলীসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বক্তারা সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সমাবেশে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, খাল খনন কর্মসূচি এবং নারীর জন্য গাড়িসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া শিক্ষার গুরুত্ব, সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা, হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ, সামাজিক অবক্ষয় রোধ, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের চর্চা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সদ্ব্যবহার এবং মোবাইল ফোন ব্যবহারে সচেতনতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সমাবেশে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।