চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, চালক-কন্ডাক্টর গ্রেপ্তার

আপলোড সময় : ৩১-০৮-২০২৬ ০৮:৫২:৩৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ৩১-০৮-২০২৬ ০৮:৫২:৩৬ অপরাহ্ন
ভারতের গ্রেটার নয়ডায় চলন্ত বাসে ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাসের চালক ও কন্ডাক্টরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে সোমবার (৩১ আগস্ট) এ তথ্য জানানো হয়। চলতি মাসের ৪ আগস্ট ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন বাসচালক কুলদীপ (৩৯) এবং কন্ডাক্টর সন্দীপ (২৬)। তারা বেসরকারি পরিবহন প্রতিষ্ঠান বিশ্বনাথ ট্রাভেলসের হয়ে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছিলেন বলে প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মী জানিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরী থেকে নয়ডায় এক কাজিনের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পরিবারের সদস্যদের না জানিয়েই বাড়ি থেকে বের হয় কিশোরীটি। পড়াশোনা নিয়ে মায়ের বকাঝকার পর সে বাড়ি ছেড়ে বের হয়েছিল বলে পুলিশের কাছে দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

নয়ডার প্যারী চকে নামার পর প্রচণ্ড বৃষ্টি ও অন্ধকারের মধ্যে কিশোরীটি বুঝতে পারে, এখনও তার গন্তব্যে পৌঁছায়নি। তখন রাত প্রায় ৯টা। তার কাজিনের বাড়ি ছিল সেখান থেকে আরও প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে। একা ও বৃষ্টিতে ভেজা অবস্থায় সে একটি যানবাহনের অপেক্ষা করছিল।

একপর্যায়ে একটি যাত্রীবিহীন স্লিপার বাস সেখানে এসে থামে। কন্ডাক্টর কিশোরীকে জানান, বাসটিও নয়ডার সেক্টর-৬৩ এলাকার দিকে যাচ্ছে। এরপর সে বাসটিতে ওঠে। তবে পুলিশের দাবি, বাসটি আসলে গ্রেটার নয়ডার সুরজপুর এলাকার একটি ওয়ার্কশপ থেকে ফিরছিল।

কিশোরীর অভিযোগ, বাস চলতে শুরু করার পর কন্ডাক্টর তার সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং যৌন নির্যাতন চালান। বাধা দিলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্যাতনের পর অভিযুক্তরা কিশোরীকে দিল্লির কাশ্মীরি গেটের কাছে রিং রোড এলাকায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে কিশোরী পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান শুরু করে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্তও শুরু হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, বাসটি ছিল স্লিপার ধরনের এবং প্রতিটি বার্থ পর্দা দিয়ে ঢাকা ছিল। তদন্তকারীদের ধারণা, এই ব্যবস্থার সুযোগ নিয়েই অভিযুক্তরা অপরাধ সংঘটিত করেছে।

ঘটনার তদন্তে ফরেনসিক দল বাসের ভেতর থেকে কিশোরীর চুলের নমুনা সংগ্রহ করেছে। পুলিশ বাসটি জব্দ করেছে। পাশাপাশি বাসটি যে পথে চলাচল করেছিল, সেই রুটের বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]