সাংস্কৃতিক চর্চা ও খেলাধুলার সঙ্গে সমাজের অপরাধ প্রবণতার বিপরীতমুখী সম্পর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইউসুফ আলী। তিনি বলেন, সমাজে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া চর্চা বাড়লে কিশোর অপরাধ, মাদকাসক্তি, জুয়া ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি পর্যায়ক্রমে দূর হবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে রাজশাহী নগরীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমির উম্মুক্ত মঞ্চে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক জাতীয় নজরুল বিষয়ক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাজশাহী জেলা প্রশাসন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, নতুন প্রজন্মকে সুস্থ, সুন্দর ও মানবিক গুণাবলিতে সমৃদ্ধ হতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ ধারণ করতে হবে। তাদের বেশি বেশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে।
নজরুলের জীবন ও সাহিত্যিক দর্শনের ওপর আলোকপাত করে তিনি বলেন, কবি নজরুলের কবিতা ও গান শুধু বিনোদনের বিষয় নয়, মানুষের অধিকার আদায় ও সামাজিক পুনর্জাগরণের প্রেরণাও জোগায়। শৈশবে রুটির দোকানে কাজ করার কঠিন বাস্তবতা তাঁর মধ্যে বিদ্রোহী চেতনার জন্ম দিয়েছিল।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে নজরুলের স্মৃতিবিজড়িত স্থান এবং দরিরামপুর হাই স্কুলের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে মোঃ ইউসুফ আলী বলেন, নজরুল তাঁর লেখনীর মাধ্যমে সবসময় সমাজের বৈষম্য, ধর্মীয় অসংগতি ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তিনি নজরুলকে আমাদের কবি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সাধারণ মানুষ যে কথা সাহস করে বলতে পারেনি, নজরুল তা অত্যন্ত সাহসের সঙ্গে উচ্চারণ করেছেন। এ কারণে তাঁকে কারাবরণও করতে হয়েছিল।
তিনি বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাঁওতালসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নজরুল চর্চার মাধ্যমে একটি শিক্ষিত, অপরাধমুক্ত ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর, রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাঃ হারুন-অর-রশীদ, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মশিউর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শরিফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ ফারুকুর রহমান ফয়সল। এ সময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে রাজশাহী নগরীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমির উম্মুক্ত মঞ্চে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক জাতীয় নজরুল বিষয়ক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাজশাহী জেলা প্রশাসন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, নতুন প্রজন্মকে সুস্থ, সুন্দর ও মানবিক গুণাবলিতে সমৃদ্ধ হতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ ধারণ করতে হবে। তাদের বেশি বেশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে।
নজরুলের জীবন ও সাহিত্যিক দর্শনের ওপর আলোকপাত করে তিনি বলেন, কবি নজরুলের কবিতা ও গান শুধু বিনোদনের বিষয় নয়, মানুষের অধিকার আদায় ও সামাজিক পুনর্জাগরণের প্রেরণাও জোগায়। শৈশবে রুটির দোকানে কাজ করার কঠিন বাস্তবতা তাঁর মধ্যে বিদ্রোহী চেতনার জন্ম দিয়েছিল।
ময়মনসিংহের ত্রিশালে নজরুলের স্মৃতিবিজড়িত স্থান এবং দরিরামপুর হাই স্কুলের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে মোঃ ইউসুফ আলী বলেন, নজরুল তাঁর লেখনীর মাধ্যমে সবসময় সমাজের বৈষম্য, ধর্মীয় অসংগতি ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তিনি নজরুলকে আমাদের কবি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সাধারণ মানুষ যে কথা সাহস করে বলতে পারেনি, নজরুল তা অত্যন্ত সাহসের সঙ্গে উচ্চারণ করেছেন। এ কারণে তাঁকে কারাবরণও করতে হয়েছিল।
তিনি বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাঁওতালসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নজরুল চর্চার মাধ্যমে একটি শিক্ষিত, অপরাধমুক্ত ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর, রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাঃ হারুন-অর-রশীদ, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মশিউর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শরিফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ ফারুকুর রহমান ফয়সল। এ সময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।