নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চর হুগলা এলাকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ, গোপনে ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে ভুক্তভোগী গৃহবধূ (২১) সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ধর্ষকের বিচারের দাবিতে সোনারগাঁ থানা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন-উপজেলার চর হুগলা এলাকার মৃত নুরু মিয়ার ছেলে মো. ইয়ামিন (৩৫) ও একই এলাকার আসলাম ফকিরের মো. ইব্রাহিম খলিল (৩০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী প্রায় দেড় বছর ধরে বিদেশে রয়েছেন। এই সুযোগে অভিযুক্তরা তাকে প্রায়ই কু-প্রস্তাব ও কুরুচিপূর্ণ কথা বলত। কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ৫ জানুয়ারি রাতে আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় অভিযুক্তরা পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে ঘরে প্রবেশ করে ইয়ামিন জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে এবং ইব্রাহিম খলিল তা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে রাখে।
পরবর্তীতে ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘ ৮ মাস ধরে ইয়ামিন তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী নারী ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে অভিযুক্ত ইয়ামিন তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং গর্ভপাত ঘটানোর জন্য চাপ দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে কিল-ঘুসি মেরে ও পিস্তল উঁচিয়ে গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী নারী জানান, বর্তমানে তিনি ৩টি সন্তান নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বারিক জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি,মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধিন রয়েছে এবং আসামীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
এ ঘটনায় সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে ভুক্তভোগী গৃহবধূ (২১) সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ধর্ষকের বিচারের দাবিতে সোনারগাঁ থানা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন-উপজেলার চর হুগলা এলাকার মৃত নুরু মিয়ার ছেলে মো. ইয়ামিন (৩৫) ও একই এলাকার আসলাম ফকিরের মো. ইব্রাহিম খলিল (৩০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী প্রায় দেড় বছর ধরে বিদেশে রয়েছেন। এই সুযোগে অভিযুক্তরা তাকে প্রায়ই কু-প্রস্তাব ও কুরুচিপূর্ণ কথা বলত। কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ৫ জানুয়ারি রাতে আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় অভিযুক্তরা পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে ঘরে প্রবেশ করে ইয়ামিন জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে এবং ইব্রাহিম খলিল তা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে রাখে।
পরবর্তীতে ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘ ৮ মাস ধরে ইয়ামিন তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী নারী ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে অভিযুক্ত ইয়ামিন তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং গর্ভপাত ঘটানোর জন্য চাপ দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে কিল-ঘুসি মেরে ও পিস্তল উঁচিয়ে গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী নারী জানান, বর্তমানে তিনি ৩টি সন্তান নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল বারিক জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি,মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধিন রয়েছে এবং আসামীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।