রাতের আঁধারে ফসলি জমির বুক চিরে চলছিল মাটি কাটার কাজ। খবর পেয়ে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে দুইজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পরে তাঁদের একজনকে এক মাস ও অপরজনকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই অভিযানে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত তিনটি এস্কেভেটর অকেজো করে দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ছয়টি ব্যাটারি এবং ধ্বংস করা হয়েছে ২৫০ লিটারের বেশি ডিজেল।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অপরাধে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রহিম (২৮) টাঙ্গাইলের আজহার আলীর ছেলে। তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত শাহাবুদ্দিন আহমেদ রাতোয়াল এলাকার শাহজাহান আলীর ছেলে। তাঁকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানে কয়েকজন অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তকেও আটক করা হয়। তবে বয়স কম হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাঁদের বিচার করার আইনগত সুযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত তিনটি এস্কেভেটর সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ না থাকায় সেগুলো সম্পূর্ণ অকেজো করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া ছয়টি ব্যাটারি জব্দ করা হয়। অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মজুত রাখা ২৫০ লিটারের বেশি ডিজেলও ধ্বংস করা হয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ বলেন, ফসলি জমি রক্ষায় এবং অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ জমির শ্রেণি পরিবর্তনের চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#
পরে তাঁদের একজনকে এক মাস ও অপরজনকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই অভিযানে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত তিনটি এস্কেভেটর অকেজো করে দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ছয়টি ব্যাটারি এবং ধ্বংস করা হয়েছে ২৫০ লিটারের বেশি ডিজেল।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অপরাধে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রহিম (২৮) টাঙ্গাইলের আজহার আলীর ছেলে। তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত শাহাবুদ্দিন আহমেদ রাতোয়াল এলাকার শাহজাহান আলীর ছেলে। তাঁকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানে কয়েকজন অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তকেও আটক করা হয়। তবে বয়স কম হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাঁদের বিচার করার আইনগত সুযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত তিনটি এস্কেভেটর সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ না থাকায় সেগুলো সম্পূর্ণ অকেজো করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া ছয়টি ব্যাটারি জব্দ করা হয়। অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মজুত রাখা ২৫০ লিটারের বেশি ডিজেলও ধ্বংস করা হয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ বলেন, ফসলি জমি রক্ষায় এবং অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ জমির শ্রেণি পরিবর্তনের চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#