সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মধ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১১ জনের সাতজনের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় আত্রাই উপজেলার মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ মাঠে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জানাজা শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শুক্রবার ভোররাতে সাতজনের মরদেহ আত্রাইয়ে পৌঁছায়। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লাশবাহী গাড়িতে করে কফিনগুলো মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ মাঠে আনা হলে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। শেষবারের মতো প্রিয়জনের মরদেহ একনজর দেখতে কলেজ মাঠে শত শত মানুষ ভিড় করেন।
নিহতরা হলেন, আত্রাই উপজেলার পাঁচুপুর ইউনিয়নের পারকাসুন্দা গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিল সরদার (৪৫), বিশা ইউনিয়নের ডুবাই গ্রামের বাদল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা সুমন (২৫), কালিকাপুর ইউনিয়নের গণ্ডগোহালী গ্রামের গফফার রহমানের ছেলে মোহন আলী (৩০) ও সুমন (২৭), একই গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল হোসেন (৩১), বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন (২৮) এবং শাহাগোলা ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের ময়েণ শেখের ছেলে ফরিদ শেখ (৩৫)।
উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যার দিকে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ১৬ জন বাংলাদেশি নিহত হন। তাদের মধ্যে ১১ জনই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা। দুর্ঘটনার পর নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারি উদ্যোগ শুরু হয়।
সৌদি সরকারের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে নয়জনের মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। পরে আত্রাইয়ের সাতজনের মরদেহ উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, নিহত আত্রাইয়ের ১১ জনের মধ্যে সাতজনের মরদেহের জানাজা আজ সম্পন্ন হয়েছে। জানাজা শেষে মরদেহগুলো তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকিদের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না হওয়ায় মরদেহ দেশে ফিরতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারগুলোর প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু এমপি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকার ১১ জন রেমিট্যান্সযোদ্ধার এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। ঘটনার পর থেকেই নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে আত্রাইয়ের সাতজনের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিহতদের পরিবারগুলোর এই শোক কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। এই কঠিন সময়ে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। বাকি চারজনের মরদেহও দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব ধরনের সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হবে। প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ভবিষ্যৎ জীবনযাত্রা যাতে কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান, আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব আলম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল জলিল চকলেট, সাধারণ সম্পাদক তছলিম উদ্দিন সাখিদার, যুবদলের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম সহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও বিপুলসংখ্যক মুসল্লি।
জানাজা শেষে নিহত সাত প্রবাসীর কফিন স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে নিজ নিজ পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
শুক্রবার ভোররাতে সাতজনের মরদেহ আত্রাইয়ে পৌঁছায়। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লাশবাহী গাড়িতে করে কফিনগুলো মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ মাঠে আনা হলে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। শেষবারের মতো প্রিয়জনের মরদেহ একনজর দেখতে কলেজ মাঠে শত শত মানুষ ভিড় করেন।
নিহতরা হলেন, আত্রাই উপজেলার পাঁচুপুর ইউনিয়নের পারকাসুন্দা গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিল সরদার (৪৫), বিশা ইউনিয়নের ডুবাই গ্রামের বাদল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা সুমন (২৫), কালিকাপুর ইউনিয়নের গণ্ডগোহালী গ্রামের গফফার রহমানের ছেলে মোহন আলী (৩০) ও সুমন (২৭), একই গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল হোসেন (৩১), বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন (২৮) এবং শাহাগোলা ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের ময়েণ শেখের ছেলে ফরিদ শেখ (৩৫)।
উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যার দিকে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরের একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ১৬ জন বাংলাদেশি নিহত হন। তাদের মধ্যে ১১ জনই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা। দুর্ঘটনার পর নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারি উদ্যোগ শুরু হয়।
সৌদি সরকারের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে নয়জনের মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। পরে আত্রাইয়ের সাতজনের মরদেহ উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, নিহত আত্রাইয়ের ১১ জনের মধ্যে সাতজনের মরদেহের জানাজা আজ সম্পন্ন হয়েছে। জানাজা শেষে মরদেহগুলো তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকিদের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না হওয়ায় মরদেহ দেশে ফিরতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারগুলোর প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু এমপি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকার ১১ জন রেমিট্যান্সযোদ্ধার এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। ঘটনার পর থেকেই নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে আত্রাইয়ের সাতজনের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিহতদের পরিবারগুলোর এই শোক কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। এই কঠিন সময়ে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। বাকি চারজনের মরদেহও দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব ধরনের সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হবে। প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ভবিষ্যৎ জীবনযাত্রা যাতে কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান, আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব আলম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল জলিল চকলেট, সাধারণ সম্পাদক তছলিম উদ্দিন সাখিদার, যুবদলের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম সহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও বিপুলসংখ্যক মুসল্লি।
জানাজা শেষে নিহত সাত প্রবাসীর কফিন স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে নিজ নিজ পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।