রাজশাহী মহানগরীতে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শুক্রবার (২৭ আগস্ট) রাত ১টার দিকে বোয়ালিয়া থানাধীন কয়েরদারা খ্রিষ্টানপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি হাসুয়া, ওয়্যারলেস সদৃশ একটি মোবাইল ফোনসহ চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার ছোটবনগ্রাম এলাকার এস এম এহসান উদ্দিন বাদশার ছেলে এবং বর্তমানে শাহমখদুম থানার নওদাপাড়া এলাকায় বসবাসরত এস এম হাসান মুক্তাদির কিউট (২৩) ও বোয়ালিয়া থানার কয়েরদারা খ্রিষ্টানপাড়া এলাকার মোঃ জাকির হোসেনের ছেলে মোঃ সিফাজ হোসেন (২৫)।
শুক্রবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১টার দিকে ডিবি পুলিশের অভিযানে এস এম হাসান মুক্তাদির কিউটের কাছ থেকে লোহার বাটযুক্ত ৩১ ইঞ্চি লম্বা একটি হাসুয়া, একটি ওয়্যারলেস সদৃশ মোবাইল ফোন ও একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন জব্দ করে ডিবি পুলিশ হয়। অপরদিকে মোঃ সিফাজ হোসেনের কাছ থেকে কাঠের বাটযুক্ত ২৬ ইঞ্চি লম্বা একটি হাসুয়া ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে অবস্থান করার কথা স্বীকার করেছে। এছাড়া কিউটের কাছ থেকে উদ্ধার করা মোবাইল ফোন যাচাই করে তাতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মনোগ্রাম ব্যবহার এবং একটি মোবাইল নম্বর হোয়াটসঅ্যাপ নামে সংরক্ষিত থাকার তথ্য পাওয়া যায়।
তিনি আরও জানান, কিউটের বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় পেনাল কোডের ধারায় সাতটি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা রয়েছে। সিফাজ হোসেনের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় পেনাল কোডের ধারায় একটি এবং রাজশাহীর চারঘাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে।
এ ছাড়া কিউটের কাছ থেকে উদ্ধার করা ওয়্যারলেস সদৃশ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করে বিভিন্ন সময়ে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ। সরকারি কর্মচারী না হয়েও সরকারি প্রতিষ্ঠানের মনোগ্রাম ব্যবহার এবং ওয়্যারলেস সদৃশ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীর পরিচয় দেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে।
সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করে কিংবা সরকারি কর্মচারীর পরিচয় বহন করে কেউ যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে রাজশাহী মহানগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে আরএমপি’র মুখপাত্র।
শুক্রবার (২৭ আগস্ট) রাত ১টার দিকে বোয়ালিয়া থানাধীন কয়েরদারা খ্রিষ্টানপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি হাসুয়া, ওয়্যারলেস সদৃশ একটি মোবাইল ফোনসহ চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার ছোটবনগ্রাম এলাকার এস এম এহসান উদ্দিন বাদশার ছেলে এবং বর্তমানে শাহমখদুম থানার নওদাপাড়া এলাকায় বসবাসরত এস এম হাসান মুক্তাদির কিউট (২৩) ও বোয়ালিয়া থানার কয়েরদারা খ্রিষ্টানপাড়া এলাকার মোঃ জাকির হোসেনের ছেলে মোঃ সিফাজ হোসেন (২৫)।
শুক্রবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১টার দিকে ডিবি পুলিশের অভিযানে এস এম হাসান মুক্তাদির কিউটের কাছ থেকে লোহার বাটযুক্ত ৩১ ইঞ্চি লম্বা একটি হাসুয়া, একটি ওয়্যারলেস সদৃশ মোবাইল ফোন ও একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন জব্দ করে ডিবি পুলিশ হয়। অপরদিকে মোঃ সিফাজ হোসেনের কাছ থেকে কাঠের বাটযুক্ত ২৬ ইঞ্চি লম্বা একটি হাসুয়া ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে অবস্থান করার কথা স্বীকার করেছে। এছাড়া কিউটের কাছ থেকে উদ্ধার করা মোবাইল ফোন যাচাই করে তাতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মনোগ্রাম ব্যবহার এবং একটি মোবাইল নম্বর হোয়াটসঅ্যাপ নামে সংরক্ষিত থাকার তথ্য পাওয়া যায়।
তিনি আরও জানান, কিউটের বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় পেনাল কোডের ধারায় সাতটি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা রয়েছে। সিফাজ হোসেনের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় পেনাল কোডের ধারায় একটি এবং রাজশাহীর চারঘাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে।
এ ছাড়া কিউটের কাছ থেকে উদ্ধার করা ওয়্যারলেস সদৃশ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করে বিভিন্ন সময়ে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ। সরকারি কর্মচারী না হয়েও সরকারি প্রতিষ্ঠানের মনোগ্রাম ব্যবহার এবং ওয়্যারলেস সদৃশ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীর পরিচয় দেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে।
সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করে কিংবা সরকারি কর্মচারীর পরিচয় বহন করে কেউ যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে রাজশাহী মহানগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে আরএমপি’র মুখপাত্র।