রাজশাহী মহানগরীতে চুরি ও চুরির উদ্দেশ্যে ঘরে প্রবেশের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মোঃ আতিকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার আরেক পলাতক আসামির বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের পোশাকসহ আরও মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, উদ্ধার হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২৩ হাজার ৬০০ টাকা।
এ ঘটনায় চন্দ্রিমা থানায় গত ২১ আগস্ট মামলা নম্বর-১৮ দায়ের করা হয়। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৮০, ৪৫৪ ও ৪৫৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আতিকুল ইসলাম বরগুনার আমতলী থানার তারিকাটা গ্রামের মৃত হাফিজুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার জামালপুর এলাকায় আলমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
সোমবার রাত ১২টার দিকে গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তালাইমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোঃ মাসুদ রানা।
তিনি জানান, সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জামালপুর গ্রামে আতিকুল ইসলামের ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ছয়টি ফুলহাতা শার্ট, একটি টেবিলম্যাট, একটি বিছানার চাদর, একটি পায়জামা ও তিনটি বালিশের কভার উদ্ধার করা হয়।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে আতিকুল ইসলামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক আসামি মিলনের বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে মিলনকে পাওয়া না গেলেও ১৯ পিস শাড়ি, চারটি বোরকা, ছয়টি থ্রি-পিস, ছয়টি বিছানার চাদর, চারটি ওড়না ও একটি ব্লেন্ডার উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের হিসাবে, উদ্ধার হওয়া সব মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২৩ হাজার ৬০০ টাকা।
এসআই মোঃ মাসুদ রানা বলেন, মামলার পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার আরেক পলাতক আসামির বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের পোশাকসহ আরও মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, উদ্ধার হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২৩ হাজার ৬০০ টাকা।
এ ঘটনায় চন্দ্রিমা থানায় গত ২১ আগস্ট মামলা নম্বর-১৮ দায়ের করা হয়। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৮০, ৪৫৪ ও ৪৫৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আতিকুল ইসলাম বরগুনার আমতলী থানার তারিকাটা গ্রামের মৃত হাফিজুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার জামালপুর এলাকায় আলমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
সোমবার রাত ১২টার দিকে গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তালাইমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোঃ মাসুদ রানা।
তিনি জানান, সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জামালপুর গ্রামে আতিকুল ইসলামের ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ছয়টি ফুলহাতা শার্ট, একটি টেবিলম্যাট, একটি বিছানার চাদর, একটি পায়জামা ও তিনটি বালিশের কভার উদ্ধার করা হয়।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে আতিকুল ইসলামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক আসামি মিলনের বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে মিলনকে পাওয়া না গেলেও ১৯ পিস শাড়ি, চারটি বোরকা, ছয়টি থ্রি-পিস, ছয়টি বিছানার চাদর, চারটি ওড়না ও একটি ব্লেন্ডার উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের হিসাবে, উদ্ধার হওয়া সব মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২৩ হাজার ৬০০ টাকা।
এসআই মোঃ মাসুদ রানা বলেন, মামলার পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।