শিবচরে মাকে ধর্ষণ ও হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া ১ বছরের শিশু আবিরের মরদেহ উদ্ধার

আপলোড সময় : ২৪-০৮-২০২৬ ০৫:৫১:৩৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৪-০৮-২০২৬ ০৫:৫১:৩৮ অপরাহ্ন

মাদারীপুরের শিবচরে মাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় নদীতে ফেলে দেওয়া এক বছর বয়সী শিশু আবিরের মরদেহ পাঁচ দিন পর আড়িয়াল খাঁ নদ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার নিলখী এলাকার মন্নান হাজীর মোড়সংলগ্ন মাদ্রাসা ঘাট এলাকায় আড়িয়াল খাঁ নদে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা শিবচর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে শিবচর থানা পুলিশ ও নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল শেষে উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মাদারীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট সকালে শিবচরের মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরেরকান্দি এলাকায় জমির ঝোপের পাশে এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত ওই নারী হলেন নাটোরের লালপুর থানার বেরিলাবাড়ি পোস্টের আট্রিকা গ্রামের ছামরুল ইসলামের মেয়ে শাম্পা খাতুন (২৮)।

প্রায় তিন বছর আগে মাদারীপুরের বড় মেহের এলাকার মো. শাহাবুদ্দিন হাওলাদারের সঙ্গে শাম্পা খাতুনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক বছর বয়সী ছেলে আবিরের জন্ম হয়।

এ ঘটনায় ২০ আগস্ট নিহত শাম্পার বাবা ছামরুল ইসলাম বাদী হয়ে শিবচর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তে পুলিশ ও র‍্যাব-৮, মাদারীপুরের একটি যৌথ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ফারুক মোল্লা নামে এক কথিত সাংবাদিককে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে শাম্পা খাতুনকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং তার এক বছর বয়সী ছেলে আবিরকে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]