ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) উদ্যোগে মহানগরীর ভদ্রা এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফগার মেশিনে কীটনাশক স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ভদ্রা বস্তি ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দুপুর ১২টার দিকে কার্যক্রম পরিদর্শন করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। এ সময় তিনি ভদ্রা রেললাইন সংলগ্ন বস্তি এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে রাসিক প্রশাসক বলেন, “পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফগার মেশিনে কীটনাশক স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু একটি মারাত্মক মশাবাহিত রোগ হলেও সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। ডেঙ্গুমুক্ত রাজশাহী গড়ে তুলতে নগরবাসীকে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান তিনি।
মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ফুলের টব, ভাঙা হাঁড়ি-পাতিল, পরিত্যক্ত গাড়ির টায়ার, টিনের কৌটা, ডাব-নারিকেলের খোসাসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেসব স্থানে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, “আমরা সকলে মিলে রাজশাহীকে একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর নগরী হিসেবে গড়ে তুলব।”
এ সময় রাসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু এবং পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ভদ্রা বস্তি ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দুপুর ১২টার দিকে কার্যক্রম পরিদর্শন করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। এ সময় তিনি ভদ্রা রেললাইন সংলগ্ন বস্তি এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে রাসিক প্রশাসক বলেন, “পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফগার মেশিনে কীটনাশক স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু একটি মারাত্মক মশাবাহিত রোগ হলেও সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। ডেঙ্গুমুক্ত রাজশাহী গড়ে তুলতে নগরবাসীকে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান তিনি।
মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ফুলের টব, ভাঙা হাঁড়ি-পাতিল, পরিত্যক্ত গাড়ির টায়ার, টিনের কৌটা, ডাব-নারিকেলের খোসাসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেসব স্থানে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, “আমরা সকলে মিলে রাজশাহীকে একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর নগরী হিসেবে গড়ে তুলব।”
এ সময় রাসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু এবং পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।