শাস্তি হল আর্জেন্টিনার। ফুটবল বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর বিপক্ষ ফুটবলারদের সঙ্গে গোলমাল এবং রাজনৈতিক বার্তা লেখা ব্যানার দেখানোর অপরাধে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থাকে শাস্তি দিল ফিফা। তাদের ২ লক্ষ ৩৭ হাজার পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রায় ৩ কোটি ৯ লক্ষ টাকা) জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার এই শাস্তির কথা জানিয়েছে ফিফা।
ফিফা যে অঙ্ক আর্জেন্টিনাকে জরিমানা করা হয়েছে, সেটি তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ভাগে, প্রায় ১ লক্ষ ২১ হাজার ডলার (১ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা) এখনই ফিফার কাছে জমা দিতে হবে আর্জেন্টিনাকে। এর পর ১ লক্ষ ডলার (প্রায় ৯৬ লক্ষ টাকা) বর্ণবিদ্বেষ বিরোধী অভিযানে ব্যয় করতে হবে। বাকি ১ লক্ষ ডলার ফিফাকে জরিমানা বাবদ দিতে হবে।
ফিফা জানিয়েছে, ফুটবল ম্যাচে অখেলোয়াড়োচিত আচরণ, গোটা দলের বিশৃঙ্খলা এবং সমর্থকদের তরফে বর্ণবিদ্বেষী এবং বিভাজনমূলক মন্তব্যের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। ফিফার শৃঙ্খলাবিধির একাধিক ধারা ভেঙেছে তারা। যে কারণে শাস্তির পরিমাণও বেশি। শুধু তাই নয়, ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা থাকছে। ফিফা জানিয়েছে, দেশের মাটিতে জাতীয় দলের পরবর্তী দু’টি ম্যাচে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ দর্শকের প্রবেশাধিকার থাকবে। অর্থাৎ অর্ধেক ভর্তি স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজন করতে হবে আর্জেন্টিনাকে।
উল্লেখ্য, ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বিবাদ রয়েছে। দুই দেশই দাবি করে, ওই দ্বীপ তাদের। ১৯৮২ সালে ফকল্যান্ডে প্রবেশ করেছিল আর্জেন্টিনার সেনা। তার পর যুদ্ধে আর্জেন্টিনা হেরে গিয়েছিল ইংল্যান্ডের কাছে। তার পর থেকে রেষারেষি আরও বেড়েছে। তারই প্রভাব পড়েছিল দু’দেশের ম্যাচে। বিশ্বকাপের ম্যাচের পর ইংল্যান্ডের সমর্থক, ফুটবলার থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতারাও আর্জেন্টিনার আচরণের বিরোধিতা করেছিলেন।
ওই ম্যাচে আর্জেন্টিনা জেতার পর ফুটবলারেরা একটি ব্যানার তুলে ধরেন, যেখানে লেখা ছিল, ‘ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনীয়দের’। ফুটবল ম্যাচে এমন রাজনৈতিক ব্যানার দেখানো নিয়মের বিরোধী। তখনই ফিফা জানিয়েছিল, আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হবে। সেই তদন্তেরই ফলপ্রকাশ করা হয়েছে এ দিন।
ফিফা যে অঙ্ক আর্জেন্টিনাকে জরিমানা করা হয়েছে, সেটি তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ভাগে, প্রায় ১ লক্ষ ২১ হাজার ডলার (১ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা) এখনই ফিফার কাছে জমা দিতে হবে আর্জেন্টিনাকে। এর পর ১ লক্ষ ডলার (প্রায় ৯৬ লক্ষ টাকা) বর্ণবিদ্বেষ বিরোধী অভিযানে ব্যয় করতে হবে। বাকি ১ লক্ষ ডলার ফিফাকে জরিমানা বাবদ দিতে হবে।
ফিফা জানিয়েছে, ফুটবল ম্যাচে অখেলোয়াড়োচিত আচরণ, গোটা দলের বিশৃঙ্খলা এবং সমর্থকদের তরফে বর্ণবিদ্বেষী এবং বিভাজনমূলক মন্তব্যের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। ফিফার শৃঙ্খলাবিধির একাধিক ধারা ভেঙেছে তারা। যে কারণে শাস্তির পরিমাণও বেশি। শুধু তাই নয়, ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা থাকছে। ফিফা জানিয়েছে, দেশের মাটিতে জাতীয় দলের পরবর্তী দু’টি ম্যাচে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ দর্শকের প্রবেশাধিকার থাকবে। অর্থাৎ অর্ধেক ভর্তি স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজন করতে হবে আর্জেন্টিনাকে।
উল্লেখ্য, ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বিবাদ রয়েছে। দুই দেশই দাবি করে, ওই দ্বীপ তাদের। ১৯৮২ সালে ফকল্যান্ডে প্রবেশ করেছিল আর্জেন্টিনার সেনা। তার পর যুদ্ধে আর্জেন্টিনা হেরে গিয়েছিল ইংল্যান্ডের কাছে। তার পর থেকে রেষারেষি আরও বেড়েছে। তারই প্রভাব পড়েছিল দু’দেশের ম্যাচে। বিশ্বকাপের ম্যাচের পর ইংল্যান্ডের সমর্থক, ফুটবলার থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতারাও আর্জেন্টিনার আচরণের বিরোধিতা করেছিলেন।
ওই ম্যাচে আর্জেন্টিনা জেতার পর ফুটবলারেরা একটি ব্যানার তুলে ধরেন, যেখানে লেখা ছিল, ‘ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনীয়দের’। ফুটবল ম্যাচে এমন রাজনৈতিক ব্যানার দেখানো নিয়মের বিরোধী। তখনই ফিফা জানিয়েছিল, আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হবে। সেই তদন্তেরই ফলপ্রকাশ করা হয়েছে এ দিন।