রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৯৮ হাজার ৭১০টি খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন পড়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে শিক্ষা বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন আট জেলার মোট ১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ১২ হাজার ৮৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ হাজার ১১৩ জন। এ বছর বোর্ডটিতে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত সাত বছরের মধ্যে এবারই রাজশাহী বোর্ডে এসএসসির ফলাফল সবচেয়ে খারাপ হয়েছে। ২০২০ সালে এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৯০ দশমিক ৩৭ শতাংশ। পাঁচ বছর পর ২০২৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশে। অর্থাৎ ২০২০ সালের তুলনায় চলতি বছর পাসের হার কমেছে প্রায় ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ পয়েন্ট।
এর আগে গত ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশের পর খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এ আবেদনের শেষ সময় ছিল ১৭ আগস্ট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ের মোট ৯৮ হাজার ৭১০টি খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন জমা পড়ে।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন বলেন, খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে ইংরেজি বিষয়ে। এরপর রয়েছে গণিত। অন্যান্য বিষয়েও আবেদন রয়েছে। তবে আবেদনগুলো বর্তমানে বিষয় কোড আকারে থাকায় এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে বিষয়ভিত্তিক সংখ্যা বলা যাচ্ছে না।
শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, আবেদন করা খাতাগুলো নিয়ম অনুযায়ী পুনর্নিরীক্ষণ করা হবে। পুনর্নিরীক্ষণ শেষে কোনো পরিবর্তন হলে তা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় প্রকাশ করা হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে শিক্ষা বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন আট জেলার মোট ১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ১২ হাজার ৮৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ হাজার ১১৩ জন। এ বছর বোর্ডটিতে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত সাত বছরের মধ্যে এবারই রাজশাহী বোর্ডে এসএসসির ফলাফল সবচেয়ে খারাপ হয়েছে। ২০২০ সালে এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৯০ দশমিক ৩৭ শতাংশ। পাঁচ বছর পর ২০২৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশে। অর্থাৎ ২০২০ সালের তুলনায় চলতি বছর পাসের হার কমেছে প্রায় ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ পয়েন্ট।
এর আগে গত ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশের পর খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এ আবেদনের শেষ সময় ছিল ১৭ আগস্ট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ের মোট ৯৮ হাজার ৭১০টি খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন জমা পড়ে।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন বলেন, খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে ইংরেজি বিষয়ে। এরপর রয়েছে গণিত। অন্যান্য বিষয়েও আবেদন রয়েছে। তবে আবেদনগুলো বর্তমানে বিষয় কোড আকারে থাকায় এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে বিষয়ভিত্তিক সংখ্যা বলা যাচ্ছে না।
শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, আবেদন করা খাতাগুলো নিয়ম অনুযায়ী পুনর্নিরীক্ষণ করা হবে। পুনর্নিরীক্ষণ শেষে কোনো পরিবর্তন হলে তা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় প্রকাশ করা হবে।