মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার, জনবান্ধব ও হয়রানিমুক্ত পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে রাজশাহী মহানগরীর সকল থানার সহকারী সাব-ইন্সপেক্টরদের (এএসআই) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন আরএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় আরএমপি সদর দপ্তরের সভাকক্ষে পুলিশ কমিশনারের সভাপতিত্বে মহানগরীর সকল থানার এএসআইদের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে বিট পুলিশিং কার্যক্রম ও জনবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিতকরণ বিষয়ে পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পুলিশ কমিশনার হয়রানিমুক্ত ও জনবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, জায়গা-জমি দখল কিংবা জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধে পুলিশি হস্তক্ষেপ করা পুলিশের কাজ নয়। তবে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) যথাযথভাবে তদন্ত করে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
এ সময় রাস্তাঘাট ও ফুটপাত দখল করে মালামাল রেখে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হকার ও দোকানদারদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে থানা এলাকায় নিয়মিত ও কার্যকর পুলিশি টহল জোরদার করে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
সভায় কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার জন্য উপস্থিত এএসআইদের নির্দেশনা দেন পুলিশ কমিশনার।
পুলিশ কমিশনারের এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মহানগরীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য আরও কার্যকর, নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত পুলিশি সেবা নিশ্চিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় আরএমপি সদর দপ্তরের সভাকক্ষে পুলিশ কমিশনারের সভাপতিত্বে মহানগরীর সকল থানার এএসআইদের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে বিট পুলিশিং কার্যক্রম ও জনবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিতকরণ বিষয়ে পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পুলিশ কমিশনার হয়রানিমুক্ত ও জনবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, জায়গা-জমি দখল কিংবা জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধে পুলিশি হস্তক্ষেপ করা পুলিশের কাজ নয়। তবে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) যথাযথভাবে তদন্ত করে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
এ সময় রাস্তাঘাট ও ফুটপাত দখল করে মালামাল রেখে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হকার ও দোকানদারদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে থানা এলাকায় নিয়মিত ও কার্যকর পুলিশি টহল জোরদার করে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
সভায় কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার জন্য উপস্থিত এএসআইদের নির্দেশনা দেন পুলিশ কমিশনার।
পুলিশ কমিশনারের এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মহানগরীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য আরও কার্যকর, নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত পুলিশি সেবা নিশ্চিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।