গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার সমাধান করতে গিয়ে মেয়ের জামাইয়ের লাঠির আঘাতে শ্বশুরের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ বাড়ির মালিক মনির হোসেনের স্ত্রীকে আটক করেছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিমখণ্ড (দারোগারচালা) এলাকার মনির হোসেনের বাড়িতে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অভিযুক্ত জামাই ফিরোজ মিয়া (৩০) ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যান।
নিহত হাফিজ উদ্দিন (৫০) নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পাঁচগাঁও (উত্তরপাড়া) গ্রামের সাহাব উদ্দিনের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের সলিং মোড় এলাকার মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শ্রীপুর পৌরসভার বৈরাগীরচালা এলাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাশের কক্ষের এক নারী ভাড়াটিয়ারা জানান, ফিরোজ মিয়া তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগমকে (২৫) ও তার তিন বছরের একমাত্র ছেলেকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দারোগারচালা এলাকার মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। ওই বাড়িতেই ফিরোজ মিয়ার ভাই, চাচা ও উকিল বাবা পাশের কক্ষগুলোতে ভাড়া থাকেন। মঙ্গলবার স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া লাগে। খবর পেয়ে সুরাইয়ার বাবা হাফিজ উদ্দিন সলিং মোড়ের ভাড়া বাসা থেকে রাত ১১টার দিকে তার মেয়ের দারোগারচালা এলাকার ভাড়া বাসায় আসেন। এ সময় বাবার সামনেই মেয়েকে জামাই মারধর করেন। পরে এ নিয়ে মেয়ের জামাই ফিরোজ মিয়া, তার ভাই, চাচা ও উকিল বাবার সঙ্গে শ্বশুর হাফিজ উদ্দিনের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মেয়ের জামাই ফিরোজ মিয়া ও তার স্বজনরা হাফিজ উদ্দিনকে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকেন। মারতে মারতে তারা হাফিজ উদ্দিনকে বাড়ির বাইরে সড়কের উপর নিয়ে লাঠি দিয়ে একাধিক আঘাত করলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাফিজ উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির মালিক মনির হোসেনের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিমখণ্ড (দারোগারচালা) এলাকার মনির হোসেনের বাড়িতে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অভিযুক্ত জামাই ফিরোজ মিয়া (৩০) ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যান।
নিহত হাফিজ উদ্দিন (৫০) নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পাঁচগাঁও (উত্তরপাড়া) গ্রামের সাহাব উদ্দিনের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের সলিং মোড় এলাকার মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শ্রীপুর পৌরসভার বৈরাগীরচালা এলাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাশের কক্ষের এক নারী ভাড়াটিয়ারা জানান, ফিরোজ মিয়া তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগমকে (২৫) ও তার তিন বছরের একমাত্র ছেলেকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দারোগারচালা এলাকার মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। ওই বাড়িতেই ফিরোজ মিয়ার ভাই, চাচা ও উকিল বাবা পাশের কক্ষগুলোতে ভাড়া থাকেন। মঙ্গলবার স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া লাগে। খবর পেয়ে সুরাইয়ার বাবা হাফিজ উদ্দিন সলিং মোড়ের ভাড়া বাসা থেকে রাত ১১টার দিকে তার মেয়ের দারোগারচালা এলাকার ভাড়া বাসায় আসেন। এ সময় বাবার সামনেই মেয়েকে জামাই মারধর করেন। পরে এ নিয়ে মেয়ের জামাই ফিরোজ মিয়া, তার ভাই, চাচা ও উকিল বাবার সঙ্গে শ্বশুর হাফিজ উদ্দিনের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মেয়ের জামাই ফিরোজ মিয়া ও তার স্বজনরা হাফিজ উদ্দিনকে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকেন। মারতে মারতে তারা হাফিজ উদ্দিনকে বাড়ির বাইরে সড়কের উপর নিয়ে লাঠি দিয়ে একাধিক আঘাত করলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাফিজ উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির মালিক মনির হোসেনের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।