হোয়াটসঅ্যাপে অচেনা নারীর ছবি পাঠাতেন। এরপর নানা প্রলোভন দেখিয়ে শুরু করতেন কথোপকথন। ইমো কিংবা হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কলে কথা বলার ফাঁদে ফেলে গোপনে ধারণ করতেন ভিডিও।
পরে তা সম্পাদনা করে তৈরি করা হতো আপত্তিকর ছবি ও পর্নোগ্রাফিক ভিডিও। সবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চলত ব্ল্যাকমেইল ও টাকা আদায়।
হানি ট্র্যাপের এই নতুন কৌশলে প্রতারণা করার অভিযোগে কালা মিয়া ওরফে কালাম মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকার আশুলিয়া থানার বলিভদ্র ও বেলতলা তালপট্টি এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, একটি বাটন ফোন এবং ছয়টি সিমকার্ড জব্দ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৪ জুন মতিউর রহমান নামে এক ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বিভিন্ন নারীর ছবি পাঠান অভিযুক্ত কালাম মিয়া। একপর্যায়ে মতিউরকে ভিডিও কলে কথা বলতে প্রলুব্ধ করেন তিনি। কথা বলার সময় গোপনে ভিডিও রেকর্ড করে পরে তা সম্পাদনা (এডিট) করে আপত্তিকর ছবি ও পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বানিয়ে নেন কালাম। এরপর তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে একাধিক বিকাশ নম্বরে ধাপে ধাপে ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা হাতিয়ে নেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মতিউর রহমান চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. ইমান হোসাইনের নেতৃত্বে পুলিশ ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে কালামকে গ্রেপ্তার করে।
ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামির কাছে জব্দ করা মোবাইল ফোনের ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমো অ্যাকাউন্টে ভুক্তভোগীসহ একাধিক ব্যক্তির আপত্তিকর ছবি ও পর্নোগ্রাফিক ভিডিও পাওয়া গেছে। কালাম মিয়ার বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক মামলা রয়েছে। চক্রটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পরে তা সম্পাদনা করে তৈরি করা হতো আপত্তিকর ছবি ও পর্নোগ্রাফিক ভিডিও। সবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চলত ব্ল্যাকমেইল ও টাকা আদায়।
হানি ট্র্যাপের এই নতুন কৌশলে প্রতারণা করার অভিযোগে কালা মিয়া ওরফে কালাম মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকার আশুলিয়া থানার বলিভদ্র ও বেলতলা তালপট্টি এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, একটি বাটন ফোন এবং ছয়টি সিমকার্ড জব্দ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৪ জুন মতিউর রহমান নামে এক ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বিভিন্ন নারীর ছবি পাঠান অভিযুক্ত কালাম মিয়া। একপর্যায়ে মতিউরকে ভিডিও কলে কথা বলতে প্রলুব্ধ করেন তিনি। কথা বলার সময় গোপনে ভিডিও রেকর্ড করে পরে তা সম্পাদনা (এডিট) করে আপত্তিকর ছবি ও পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বানিয়ে নেন কালাম। এরপর তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে একাধিক বিকাশ নম্বরে ধাপে ধাপে ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা হাতিয়ে নেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মতিউর রহমান চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. ইমান হোসাইনের নেতৃত্বে পুলিশ ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে কালামকে গ্রেপ্তার করে।
ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামির কাছে জব্দ করা মোবাইল ফোনের ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমো অ্যাকাউন্টে ভুক্তভোগীসহ একাধিক ব্যক্তির আপত্তিকর ছবি ও পর্নোগ্রাফিক ভিডিও পাওয়া গেছে। কালাম মিয়ার বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক মামলা রয়েছে। চক্রটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।