‘নিজেকে অন্ধভক্ত বলতে গর্ববোধ করি’, ঈশার কথায় আবেগপ্রবণ কঙ্গনা

আপলোড সময় : ১৯-০৮-২০২৬ ০৫:১৪:৫৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৯-০৮-২০২৬ ০৫:১৪:৫৮ অপরাহ্ন
নিজেকে ‘অন্ধভক্ত’ বলতে গর্ববোধ করেন ঈশা কোপ্পিকর। তার পরেই কটাক্ষের মুখে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। এ বার তাঁর পাশে দাঁড়ালেন কঙ্গনা রনৌত। ঈশার ‘অন্ধভক্ত’ মন্তব্যকে সমর্থন করলেন তিনি।

ঈশা জানিয়েছিলেন, দেশের সেবা এবং দেশের প্রতি ভালবাসার কারণেই তিনি নিজেকে ভক্ত মনে করেন। তাঁর কাছে ‘অন্ধভক্ত’ শব্দটি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নয়। ঈশার বক্তব্যের সমর্থনে কঙ্গনা নিজের জীবনের বেশ কিছু ঘটনার উদাহরণও দিয়েছেন।

ঈশার ভিডিয়োটি নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় তুলে ধরেন কঙ্গনা। সেই সঙ্গে তিনি লেখেন, “দারুণ ভাবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছে ঈশা! আমার ক্ষেত্রে বলব, স্কুলে পড়ার সময়ে এমন এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলাম, যিনি প্রার্থনার সময়ে শিশুদের মাথায় লাঠি দিয়ে মারতেন। আবার ২৬/১১-র হামলার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ করেছিলাম। নির্ভয়া-কাণ্ডের নৃশংসতার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ করেছিলাম। জীবনে কোনও সীমাবদ্ধতার জন্য কখনও বাবা-মাকে দায়ী করিনি। আমি আমার দেশকে ভালবাসি, দেশের মানুষকে ভালবাসি, নিজের জীবনকেও ভালবাসি।”

ঈশা তাঁর ভিডিয়োয় ঠিক কী বলেছিলেন? ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে ঈশা বলেছিলেন, “দেশকে ভালবাসা, ভারতের উপর বিশ্বাস রাখা এবং দেশের উন্নতি চাইলে যদি সেটাকে অন্ধভক্তি বলা হয়, তা হলে হ্যাঁ, আমি নিজেকে একজন ভক্তই মনে করি। নিজেকে একজন অন্ধভক্ত বলতে গর্ববোধ করি। তবে আমার ভক্তি কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতি নয়, আমার দেশের প্রতি, আমার ভারতের প্রতি। দেশ সবার আগে।”

নিজেকে অন্ধভক্ত বললেও, সরকারকে প্রশ্ন করা যায়, ঈশা এমনও মনে করেন। তাই তিনি বলেন, “আমি সরকারের প্রশ্ন করতে পারি, কোনও নীতির সঙ্গে একমত নাও হতে পারি। তবুও নিজের দেশকে ভালবাসতে পারি। আমার বাড়ি এই দেশে, আমি এখানেই রোজগার করি। তাই নিজের দেশকে ভালবাসতে আমার কোনও লজ্জা নেই।”

ঈশার কথায়, “আপনি যে জায়গাতেই থাকুন না কেন, সেই জায়গাকে ভালবাসতে শিখুন, তাকে সম্মান করুন এবং তার উন্নতির জন্য কিছু করুন। নিজের পছন্দের বাড়ি নিয়ে গর্বিত হন। দেশপ্রেম শুধু মুখে ‘আমি আমার দেশকে ভালবাসি’ বলা নয়। দেশের জন্য এমন কিছু করা দরকার, যাতে দেশ আরও ভাল হয়। সেটাকেই বলে দেশপ্রেম।”

ঈশা আরও বলেন, “ভারত বদলাচ্ছে, বন্ধু। এখন আমাদের চিন্তাভাবনাও বদলানোর সময় এসেছে। নতুন ভারত গড়ার কাজে আমাদেরও যোগ দিতে হবে।”

নিজেকে ‘অন্ধভক্ত’ বলা নিয়ে তাঁর কোনও আপত্তি নেই বলেও জানান ঈশা। তাঁর স্বীকারোক্তি, “আমাকে ভক্ত বলুন, অন্ধভক্ত বলুন, জাতীয়তাবাদী বলুন। আমি আমার ভারতকে ভালবাসি। আমি আমার ভারতকে বিশ্বাস করি। অন্ধ ভাবে নয়, গর্বের সঙ্গে, আবেগের সঙ্গে এবং কোনও দ্বিধা ছাড়াই। জয় হিন্দ।”

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]