বাসায় যাওয়ার প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে নিজের সর্বনাশ ডাকলেন নারী

আপলোড সময় : ১৮-০৮-২০২৬ ১২:২৬:২৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৮-০৮-২০২৬ ১২:২৬:২৩ অপরাহ্ন
সাতক্ষীরার তালায় চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে এক গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

রোববার (১৬ আগস্ট) খুলনার পাইকগাছা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন অনুপ কুমার বিশ্বাস (৩৬) ও শিপ্রা বিশ্বাস (৩২)। আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলায় নাম উল্লেখ থাকা এস এম রাজু নামের আরেক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নারী (৪০) খুলনার কয়রা উপজেলার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে পেটের ব্যথা ও স্ত্রীরোগজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসার জন্য গত জুলাইয়ের শেষ দিকে বাবার বাড়িতে যান। পরে এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে সাতক্ষীরা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত এস এম রাজু নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

এজাহারে ওই নারী অভিযোগ করেন, রাজু তাকে ভালো চিকিৎসক দেখিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। ১৩ আগস্ট দুপুরে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন তিনি। বিকেল চারটার দিকে তালা ইজিবাইকস্ট্যান্ডে পৌঁছে রাজুকে কল করেন। কিছুক্ষণ পর রাজু সেখানে গিয়ে বলেন, সেদিন আর হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসক দেখানো সম্ভব হবে না। পরদিন চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে তাকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। রাজুর কথায় রাজি হয়ে ওই নারী তার সঙ্গে সেই বাসায় যান। পানি চাইলে বাসায় থাকা ওই নারী তাকে বিস্কুট, পুরি ও পানি দেন। এসব খাওয়ার পরপর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, রাত দুইটার দিকে ঘুম ভাঙার পর তিনি বুঝতে পারেন তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তার ধারণা, খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক কিছু মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে বাসায় থাকা ওই নারীকে বিষয়টি জানালে তিনি চুপ থাকতে বলেন এবং মুঠোফোনে ধারণ করা তার বিবস্ত্র ছবি দেখিয়ে ভয় দেখান। এরপর রাজু ওই কক্ষে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে আরেকজন অজ্ঞাতনামা পুরুষ কক্ষে ঢোকেন। রাজু কক্ষের বাইরে চলে যাওয়ার পর ওই ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেন।

পরদিন ১৪ আগস্ট সকাল ছয়টার দিকে ওই নারী বাসা থেকে বের হয়ে যান। কান্নাকাটি শুনে পাশের একটি ইউনিটের এক বাসিন্দা দরজা খুলে বের হলে তার মুঠোফোন থেকে মামাতো ভাইকে কল করেন তিনি। পরে মামাতো ভাই এলে তাকে ঘটনার বিস্তারিত জানান। পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে পরে তিনি তালা থানায় মামলা করেন।

তালা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভুক্তভোগীর ছবি ও ভিডিওধারণ করে ভয় দেখানোর অভিযোগটিও তদন্ত করা হচ্ছে। ওই মুঠোফোন উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তদন্তে আরও কেউ জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]