রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার পশ্চিম বালিয়া শান্তিমোড় এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে সিটিটিসি বিভাগের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তু দুটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে পশ্চিম বালিয়া শান্তিমোড় এলাকায় রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে একটি বাড়ির পাশে বস্তু দুটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাটি নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে রাখে।
কাশিয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরহাদ আলী জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরে রাজশাহী মহানগর পুলিশের সিটিটিসি বিভাগের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়।
সকালে বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা দুটি ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। পরে সেগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করা হয়। উদ্ধার করা আলামত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে বস্তু দুটি কে বা কারা সেখানে রেখে গেছে এবং কী উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নজরদারিতে রেখেছেন।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে পশ্চিম বালিয়া শান্তিমোড় এলাকায় রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে একটি বাড়ির পাশে বস্তু দুটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাটি নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে রাখে।
কাশিয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরহাদ আলী জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরে রাজশাহী মহানগর পুলিশের সিটিটিসি বিভাগের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়।
সকালে বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা দুটি ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। পরে সেগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করা হয়। উদ্ধার করা আলামত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে বস্তু দুটি কে বা কারা সেখানে রেখে গেছে এবং কী উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নজরদারিতে রেখেছেন।