রাণীশংকৈলে পরীক্ষার মার্ক বাড়ানোর নামে উৎকোচ ভিডিও ভাইরাল

আপলোড সময় : ১৭-০৮-২০২৬ ১০:০৪:১০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৭-০৮-২০২৬ ১০:০৪:১০ অপরাহ্ন
 
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ডিগ্রি কলেজ হলরুমে অনুষ্ঠিত মহিলা ডিগ্রি কলেজের কৃষি ব্যবহারিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মার্ক বাড়িয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী (পিয়ন) রফিকুলের মাধ্যমে জনপ্রতি ১০০ টাকা করে এই ঘুষ গ্রহণ করা হয়। টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

 
​জানা যায়, গত রবিবার (১৬ আগস্ট) উপজেলার ডিগ্রি কলেজ হলরুমে মহিলা ডিগ্রি কলেজের কৃষি ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষার কেন্দ্রে কেন্দ্র সচিব ও মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মহাদেব বসাক, সহকারী অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম এবং মোস্তফা দায়িত্বে ছিলেন। তবে ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর বেশি দেওয়ার নামে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে পিয়ন রফিককে দিয়ে ১০০ টাকা করে আদায় করার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
 
এ বিষয়ে ডিগ্রি কলেজ অফিস সূত্রে জানানো হয়, মহিলা কলেজে উপযুক্ত পরীক্ষার কেন্দ্র না থাকায় তারা ডিগ্রি কলেজের হলরুমটি কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে সার্বিক পরিচালনা ও পরীক্ষার যাবতীয় দায়ভার মহিলা কলেজ কর্তৃপক্ষের।
 
​টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে ডিগ্রি কলেজের ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী পিয়ন রফিক বলেন,আমি একজন পিয়ন। শিক্ষকরা আমাকে যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, আমি সেভাবেই দায়িত্ব পালন করেছি।
 
সহকারী অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম ও মোস্তফা আমাকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিতে বলেছিলেন, তাই আমি নিয়েছি। এখানে আমার নিজের কোনো দোষ নেই।
 
পরীক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যাপক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, নেকমরদ সরকারি কলেজের অধ্যাপক এ.কে.এম শামিম ফেরদৌস, ধর্মগড় ডি.কে কলেজের মহেশ চন্দ্র বলেন,আমরা তিনজন দায়িত্ব পালন করছিলাম। পরীক্ষা চলাকালে টাকা লেনদেনের বিষয়টি আমরা শিক্ষার্থীদের মুখ থেকে শুনেছি এবং পরবর্তীতে ফেসবুকেও ভিডিও ফুটেজটি দেখেছি। পরীক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ও মোস্তফা পিয়ন সরিফুলের মাধ্যমেই মূলত টাকাগুলো সংগ্রহ করিয়েছেন। 
 
পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা সহকারী অধ্যাপক সিরাজুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে টাকা নেওয়ার বিষয়ে ৩য় শ্রেণির কর্মচারী  রফিককে কলেজ ক্যাম্পাসে খুঁজতে গেলে ডিগ্রি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বাঁধা প্রদান করেন।  এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মহাদেব বসাক বলেন,বিষয়টি সম্পর্কে আমি এখনো বিস্তারিত জানি না। কলেজে গিয়ে সার্বিক খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ জাকির হোসেন হেলাল মুঠোফোনে বলেন,আমি কলেজ থেকে চলে এসেছি বিষয়টি নিয়ে কালকে বসবো।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]