রাজশাহী নগরীতে ট্যাপেন্টাডল, হেরোইন ও ইয়াবাসহ ৫জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাত থেকে সোমবার ভোর রাত পর্যন্ত চলা অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
আটক মাদক কারবারি মো. কোরবান আলী ওরফে ইমান (১৭) (ছদ্মনাম) সে কাটাখালি থানাধীন চরশ্যামপুর এলাকার বাসিন্দা, মো. রতন আলী (৩৬), সে বেলপুকুর থানাধীন ভড়ুয়াপাড়া এলাকার মো. কুদ্দুস আলীর ছেলে, মো. সানাউল হোসেন ওরফে মাসুদ (৩৫) সে কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন কাদিরগঞ্জ গ্রামের মো. সেকেন্দার আলীর ছেলে, মো. ইনজামুল হক (২২) কাটাখালী থানাধীন বাখরাবাজ মধ্যপাড়া এলাকার মো. মামুন আলীর ছেলে, একই এলাকার সজিব ইসলাম (১৯), সে মো. শাহ আলমের ছেলে।
এসময় তাদের কাছে থেকে ২০৮ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ২ গ্রাম হেরোইন ও ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
সোমবার রাতে আরএমপি পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিঙ্গপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১৬ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টার দিকে মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ মতিহার থানার চরশ্যামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একই গ্রামের আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু মো. কোরবান আলী ওরফে ইমান (ছদ্মনাম) (১৭)-কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ২০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এর আগে একই দিন দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে বেলপুকুর থানা পুলিশ ভড়ুয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মো. কুদ্দুস আলীর ছেলে মো. রতন আলী (৩৬)-কে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৮ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া দুপুর আনুমানিক সোয়া ২টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানার কেশবপুর পুলিশ ফাঁড়ি গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বোয়ালিয়া থানার কাদিরগঞ্জ গ্রামের মো. সেকেন্দার আলীর ছেলে মো. সানাউল হোসেন ওরফে মাসুদ (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার মাসুদের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা রয়েছে।
অপরদিকে, একই দিন বিকাল আনুমানিক পৌনে ৬টার দিকে কাটাখালী থানা পুলিশ নওদাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বাখরাবাজ মধ্যপাড়া গ্রামের মো. মামুন আলীর ছেলে মো. ইনজামুল হক (২২) ও একই গ্রামের মো. শাহ আলমের ছেলে মো. নয়ন ওরফে সজিব ইসলাম (১৯)-কে গ্রেপ্তার করে।
এ সময় ইনজামুল হকের হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৬ পিস এবং নয়ন ওরফে সজিব ইসলামের হেফাজত থেকে ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে তাদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।