ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারের ধাক্কা সামলানোর আগেই নতুন দুশ্চিন্তায় পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। ধীরগতির ওভার রেটের কারণে আইসিসির শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্যাট কামিন্সের দল। আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লুটিসি) পয়েন্টও হারানোর শঙ্কা রয়েছে তাদের।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টেস্টে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ ওভার করে বোলিং করতে হয়। অর্থাৎ নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দিনে অন্তত ৯০ ওভার শেষ করার কথা। তবে শনিবার (১৫ আগস্ট) মাত্র ৮৬ ওভার করতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে চার ওভার পিছিয়ে ছিল তারা।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত ওভারের চেয়ে প্রতি এক ওভার কম করার জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা হতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার প্রতিটি খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফি ২০ হাজার মার্কিন ডলার ধরা হলে চার ওভারের ঘাটতিতে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ ৪ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
তবে আর্থিক জরিমানার চেয়েও বড় শঙ্কা ডব্লুটিসির পয়েন্ট হারানো নিয়ে। স্লো ওভার রেটের কারণে প্রতি ওভারের ঘাটতির জন্য একটি করে ডব্লুটিসি পয়েন্ট কাটা যেতে পারে। সে হিসেবে চার ওভার ঘাটতির জন্য অস্ট্রেলিয়ার চারটি পয়েন্ট হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে ৮৪ পয়েন্ট ও ৭৭.৭৮ শতাংশ জয় নিয়ে ডব্লুটিসির পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার পয়েন্ট ৩৬, জয়ের হার ৭৫ শতাংশ। বাংলাদেশ রয়েছে চতুর্থ স্থানে—৪০ পয়েন্ট নিয়ে তাদের জয়ের হার ৬৬.৬৭ শতাংশ।
ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ঘরের মাঠে বড় ব্যবধানে হারের পর স্লো ওভার রেটের শাস্তি কার্যকর হলে অস্ট্রেলিয়ার হতাশা আরও বাড়বে। তবে চূড়ান্ত শাস্তি নির্ধারণের আগে ম্যাচের পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য ছাড়ের বিষয়গুলোও বিবেচনা করতে পারে আইসিসি।
ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারের ধাক্কা সামলানোর আগেই নতুন দুশ্চিন্তায় পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। ধীরগতির ওভার রেটের কারণে আইসিসির শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্যাট কামিন্সের দল। আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লুটিসি) পয়েন্টও হারানোর শঙ্কা রয়েছে তাদের।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টেস্টে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ ওভার করে বোলিং করতে হয়। অর্থাৎ নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দিনে অন্তত ৯০ ওভার শেষ করার কথা। তবে শনিবার (১৫ আগস্ট) মাত্র ৮৬ ওভার করতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে চার ওভার পিছিয়ে ছিল তারা।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত ওভারের চেয়ে প্রতি এক ওভার কম করার জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা হতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার প্রতিটি খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফি ২০ হাজার মার্কিন ডলার ধরা হলে চার ওভারের ঘাটতিতে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ ৪ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
তবে আর্থিক জরিমানার চেয়েও বড় শঙ্কা ডব্লুটিসির পয়েন্ট হারানো নিয়ে। স্লো ওভার রেটের কারণে প্রতি ওভারের ঘাটতির জন্য একটি করে ডব্লুটিসি পয়েন্ট কাটা যেতে পারে। সে হিসেবে চার ওভার ঘাটতির জন্য অস্ট্রেলিয়ার চারটি পয়েন্ট হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে ৮৪ পয়েন্ট ও ৭৭.৭৮ শতাংশ জয় নিয়ে ডব্লুটিসির পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার পয়েন্ট ৩৬, জয়ের হার ৭৫ শতাংশ। বাংলাদেশ রয়েছে চতুর্থ স্থানে—৪০ পয়েন্ট নিয়ে তাদের জয়ের হার ৬৬.৬৭ শতাংশ।
ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ঘরের মাঠে বড় ব্যবধানে হারের পর স্লো ওভার রেটের শাস্তি কার্যকর হলে অস্ট্রেলিয়ার হতাশা আরও বাড়বে। তবে চূড়ান্ত শাস্তি নির্ধারণের আগে ম্যাচের পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য ছাড়ের বিষয়গুলোও বিবেচনা করতে পারে আইসিসি।