চাঁদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (৮) ধর্ষণের মামলায় ছিদ্দিক হাওলাদারকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১৬ আগস্ট) তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে ফরিদগঞ্জ উপজেলার নয়ারহাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২নং চান্দ্রা ইউনিয়নের মধ্য মদনা গ্রামের নান্নু হওলাদারের ছেলে ছিদ্দিক হাওলাদার। তিনি পেশায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি উপজেলার চর দুঃখিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রতিদিনের মতো গত বৃহস্পতিবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ওই অটোরিকশায় যাত্রী হিসেবে ওঠে। এ সময় সুযোগ পেয়ে অটোরিকশাচালক একটি নির্জন স্থানে শিশুটিকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং বাড়ি ফিরে অভিভাবকদের জানায়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে শুক্রবার ফরিদগঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা অটোরিকশা চালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তথ্য প্রযুক্তি ও নানান কৌশল কাজে লাগিয়ে আমরা প্রথমে অভিযুক্ত ছিদ্দিক হাওলাদারকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হই। পরবর্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করলে তিনি অপরাধের কথা স্বীকার করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি ছিদ্দিককে এ দিন দুপুরে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২নং চান্দ্রা ইউনিয়নের মধ্য মদনা গ্রামের নান্নু হওলাদারের ছেলে ছিদ্দিক হাওলাদার। তিনি পেশায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি উপজেলার চর দুঃখিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রতিদিনের মতো গত বৃহস্পতিবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ওই অটোরিকশায় যাত্রী হিসেবে ওঠে। এ সময় সুযোগ পেয়ে অটোরিকশাচালক একটি নির্জন স্থানে শিশুটিকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং বাড়ি ফিরে অভিভাবকদের জানায়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে শুক্রবার ফরিদগঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা অটোরিকশা চালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তথ্য প্রযুক্তি ও নানান কৌশল কাজে লাগিয়ে আমরা প্রথমে অভিযুক্ত ছিদ্দিক হাওলাদারকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হই। পরবর্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করলে তিনি অপরাধের কথা স্বীকার করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি ছিদ্দিককে এ দিন দুপুরে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।