এশিয়া থেকে শেষ বিমানবাহী রণতরী সরাচ্ছে পেন্টাগন

আপলোড সময় : ১৬-০৮-২০২৬ ০৮:১৫:১৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৬-০৮-২০২৬ ০৮:১৫:১৫ অপরাহ্ন
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে। এ অবস্থায় এশিয়া থেকে নিজেদের শেষ বিমানবাহী রণতরীও সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন এখন মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মোতায়েন থাকা ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছে এই জাহাজ।

এর ফলে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সাময়িকভাবে কোনো মার্কিন বিমানবাহী রণতরী থাকবে না। এদিকে চীন ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক তৎপরতা বাড়িয়ে চলেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হওয়া এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে মনোযোগ সরে যাওয়া মিত্র দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়াতে পারে।

আব্রাহাম লিংকনের মোতায়েনের সময়সীমা আগে থেকেই বাড়ানো হয়েছিল। জাহাজটিতে মানসিক স্বাস্থ্য ও সরবরাহ নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে অনির্দিষ্টকালীন সামরিক অভিযান মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্যদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া কর্মসূচির পরিচালক গ্রেগ পোলিং বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন পশ্চিম গোলার্ধের পর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করলেও বাস্তবে তারা এর উল্টো কাজ করছে। তার মতে, এ পরিস্থিতিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মিত্ররা ওয়াশিংটনের নীতির অনিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং চীন এতে সুবিধা নিচ্ছে।

পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর অনুপস্থিতি চীনকে নিজেদের সামরিক শক্তি প্রদর্শনের সুযোগ দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। হাডসন ইনস্টিটিউটের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ব্রায়ান ক্লার্ক বলেন, শুধু একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী অঞ্চল ছেড়ে যাওয়ায় চীন তাইওয়ানে হামলা চালাবে, এমনটা কেউ মনে করছে না। তবে বেইজিং এ পরিস্থিতিকে নিজেদের শক্তি প্রদর্শনে কাজে লাগাতে পারে।

এদিকে অঞ্চলটিতে নিজেদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে মিত্রদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ফ্রাঙ্ক ব্র্যাডলি গত বৃহস্পতিবার ম্যানিলায় ফিলিপাইনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে যৌথ মহড়া জোরদারে মার্কিন বিশেষ বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। ব্র্যাডলি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের যেকোনো স্থানে শক্তি প্রয়োগের সক্ষমতা রাখে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে প্রয়োজন অনুযায়ী সেই সক্ষমতা আবার অন্য অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে।

সূত্র: এপি

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]