পদ্মার বুকে মিনি সুইজারল্যান্ড সবুজের টানে মাঝচরে দর্শনার্থীর ঢল

আপলোড সময় : ১৫-০৮-২০২৬ ০৭:০৯:০০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৫-০৮-২০২৬ ০৭:০৯:০০ অপরাহ্ন
রাজশাহী নগরী থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে পদ্মা নদীর বুকে জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ মাঝচর এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের নতুন আকর্ষণ। চারদিকে সবুজ ঘাসের মাঠ, ছোট ছোট জলাশয়, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বসতঘর আর নদীর নির্মল বাতাস-সব মিলিয়ে মাঝচর যেন প্রকৃতির নিজ হাতে আঁকা এক ছবি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে এর সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর আনাগোনা।
পবার হরিয়ান ইউনিয়নে অবস্থিত এই মাঝচরে বসবাস করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি পরিবার। নদীর বুকেই তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও জীবন-জীবিকা। তবে এই বসতি স্থায়ী নয়। পদ্মায় পানি বাড়লেই ডুবে যায় চর; পানির সঙ্গে হারিয়ে যায় ঘরবাড়ি ও ফসল। পানি নেমে গেলে আবার জেগে ওঠে চর, শুরু হয় নতুন করে বসতি গড়ার সংগ্রাম।
স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর বর্ষায় পানি বাড়লে মাঝচর তলিয়ে যায়। পানি কমলে আবার ঘর তুলে বসবাস শুরু করেন তারা।
এবার বর্ষা মৌসুমেও পানি না বাড়ায় এখনো সবুজে ঢাকা মাঝচর। দূর থেকে দেখা যায় সবুজ মাঠের মধ্যে ছোট ছোট টিনের ঘর, বাঁশের বেড়া ও খড়ের গোলা। এই দৃশ্যই টানছে দর্শনার্থীদের।
নৌকায় পদ্মা পাড়ি দিয়ে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে মাঝচরে আসছেন অনেকে। কেউ ঘুরছেন, কেউ ছবি-ভিডিও ধারণ করছেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেসব ছড়িয়ে পড়ায় বাড়ছে আগ্রহ। দর্শনার্থীদের কেউ কেউ মাঝচরকে বলছেন মিনি সুইজারল্যান্ড।
দর্শনার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, সবুজ মাঠ, নদী আর ছোট ছোট ঘর মিলে এখানে তৈরি হয়েছে অসাধারণ এক দৃশ্য।
তবে সৌন্দর্যের আড়ালে রয়েছে চরবাসীর অনিশ্চিত জীবন। ইউপি সদস্য আবু জাফর ইবনে আলম প্রমিজ বলেন, নদীর পানি ও ভাঙনের সঙ্গে লড়াই করেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এখানে বসবাস করছেন মানুষ।
প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য আর মানুষের টিকে থাকার সংগ্রাম-এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই পদ্মার মাঝচর এখন রাজশাহীর নতুন আকর্ষণ।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]