জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার পদ্মপুকুর এলাকা থেকে বাদশা (২৭) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আহত অবস্থায় মাজেদুল ইসলাম (২২) নামে আরেক যুবককে উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে এই ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোরে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি মাঠে মাছ ধরতে যাওয়ার পথে রাস্তায় দুজনকে দেখতে পান। এসময় তারা চিৎকার করলে স্থানীয়রা গিয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাদশার মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহত মাজেদুল ইসলামকে জীবিত উদ্ধার করে।
এদিকে আহত মাজেদুল ইসলাম পুলিশ ও সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার বিকেলে জামালগঞ্জ চারমাথা এলাকার একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে থেকে তাদের তুলে নিয়ে একটি বাড়িতে আটকে রাখেন। পরে রাত গভীর হলে মোটরসাইকেলযোগে ক্ষেতলাল উপজেলার মহব্বতপুর পদ্মপুকুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পার্শ্ববর্তী এলাকার ৯ জন মিলে তাদের মারধর করেন। এরপর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ভোরে কয়েকজন লোকের ডাকাডাকিতে জ্ঞান ফিরলে পাশে থাকা বাদশাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান বলে জানান তিনি।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে এই ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোরে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি মাঠে মাছ ধরতে যাওয়ার পথে রাস্তায় দুজনকে দেখতে পান। এসময় তারা চিৎকার করলে স্থানীয়রা গিয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাদশার মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহত মাজেদুল ইসলামকে জীবিত উদ্ধার করে।
এদিকে আহত মাজেদুল ইসলাম পুলিশ ও সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার বিকেলে জামালগঞ্জ চারমাথা এলাকার একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে থেকে তাদের তুলে নিয়ে একটি বাড়িতে আটকে রাখেন। পরে রাত গভীর হলে মোটরসাইকেলযোগে ক্ষেতলাল উপজেলার মহব্বতপুর পদ্মপুকুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পার্শ্ববর্তী এলাকার ৯ জন মিলে তাদের মারধর করেন। এরপর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ভোরে কয়েকজন লোকের ডাকাডাকিতে জ্ঞান ফিরলে পাশে থাকা বাদশাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান বলে জানান তিনি।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।