রাজশাহী মহানগরীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সজীব ইসলাম মারুফ (২৮) নামের এক স্বেচ্ছাসেবক দল কর্মীকে চাকু দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন খরবোবা নদীর ধার এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠান।
আহত সজীব ইসলাম মারুফ মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন খরবোবা নদীর ধার এলাকার আব্দুল হালিমের ছেলে এবং তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন কর্মী।
হামলার বিষয়ে আহত সজীবের ভাই ও বোয়ালিয়া থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাকিল আহমেদ আলী অভিযোগ করে বলেন, "পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আজ দুপুরে আওয়ামী দোসর জিয়ারুল ও তার বাহিনী আমার ভাই মারুফকে চাকু দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। আমাদের এই নদীরধার এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা এখনও গোপনে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।"
এখন পর্যন্ত কোন মামলা করেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন তো চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসেছি। চিকিৎসা শেষে মামলা করব।
জানতে চাইলে বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুমা মুস্তারি বলেন, এমন একটি ঘটনা মুঠোফোনে শোনার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ২ পক্ষের কাউকেই পাওয়া যায় নি।
এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাই নি, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান ওসি মাসুমা মুস্তারি।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন খরবোবা নদীর ধার এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠান।
আহত সজীব ইসলাম মারুফ মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন খরবোবা নদীর ধার এলাকার আব্দুল হালিমের ছেলে এবং তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন কর্মী।
হামলার বিষয়ে আহত সজীবের ভাই ও বোয়ালিয়া থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাকিল আহমেদ আলী অভিযোগ করে বলেন, "পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আজ দুপুরে আওয়ামী দোসর জিয়ারুল ও তার বাহিনী আমার ভাই মারুফকে চাকু দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। আমাদের এই নদীরধার এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা এখনও গোপনে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।"
এখন পর্যন্ত কোন মামলা করেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন তো চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসেছি। চিকিৎসা শেষে মামলা করব।
জানতে চাইলে বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুমা মুস্তারি বলেন, এমন একটি ঘটনা মুঠোফোনে শোনার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ২ পক্ষের কাউকেই পাওয়া যায় নি।
এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাই নি, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান ওসি মাসুমা মুস্তারি।