রাজশাহীর পুঠিয়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মো. করিম (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে করিমের ভাইয়ের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার বেলপুকুরিয়া ইউনিয়নের ভুরুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত করিম ওই এলাকার মো. ফজলুলের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুরুয়াপাড়া এলাকায় জমিজমা নিয়ে মো. রফিকুল ইসলাম (৪০), মো. করিম (৩৫) ও মো. রাব্বির সঙ্গে একই এলাকার মো. জিল্লুর (৬০) ও শাহাবুর (৫৫)-এর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার বিকেলে ওই বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে করিমসহ দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে করিমের মৃত্যু হয়।
করিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়ভাবে সতর্কতা জারি রয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর হামলা ও সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ এবং কারা এতে জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।
এদিকে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার বেলপুকুরিয়া ইউনিয়নের ভুরুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত করিম ওই এলাকার মো. ফজলুলের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুরুয়াপাড়া এলাকায় জমিজমা নিয়ে মো. রফিকুল ইসলাম (৪০), মো. করিম (৩৫) ও মো. রাব্বির সঙ্গে একই এলাকার মো. জিল্লুর (৬০) ও শাহাবুর (৫৫)-এর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার বিকেলে ওই বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে করিমসহ দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে করিমের মৃত্যু হয়।
করিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়ভাবে সতর্কতা জারি রয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর হামলা ও সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ এবং কারা এতে জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।
এদিকে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।